চট্টগ্রাম শনিবার, ০৬ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ২:১৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা , পটিয়া

ডাইং শ্রমিক খুনের ঘটনা

পটিয়ায় পলাশ হত্যায় জড়িত প্রেমিকার স্বজনেরা

প্রেমিককে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডেকে নিয়ে খুন করে প্রেমিকার স্বজনেরা। এতে অংশ নেয় প্রায় ২০ স্বজন। এমন তথ্য দিয়েছে আটক প্রেমিকা শিখা দে (১৯)। সে সে কোলাগাঁও ইউনিয়নের চাপড়া হিন্দু পাড়ার কানাই দে’র কন্যা। প্রেমিকার বাধা উপেক্ষা করেই প্রেমিক পলাশকে খুন করে রাস্তায় ফেলে যায় তার আত্মীয়-স্বজনেরা। উল্লেখ্য, পটিয়া উপজেলার কেলাগাঁও ইউনিয়নের কালারপুল এলাকায় যমুনা ড্রিম ডাইং

কারখানায় একইসাথে কাজ করতেন শ্রমিক কামরুল হাসান পলাশ ও শিখা দে। তাদের মধ্যে এক বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমিককে ডেকে নিতে বাধ্য করে প্রেমিকার স্বজনরা। শনিবার সকাল ১০টায় পুলিশ উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের চাপড়া গ্রামের শীলপাড়া এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। সে নোয়াখালী সদর উপজেলার আবদুল্লাহপুর মিঞা বাড়ির নলপুর গ্রামের জহিরুল হকের পুত্র। এরপর তার লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়। পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) জাব্বারুল ইসলাম জানান, রাত ৯টার দিকে প্রেমিক তার প্রেমিকার ঘরে ডেকে নিলে একটি কক্ষে রাত ১২টা পর্যন্ত বেঁধে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। ওই সময় প্রেমিকা শিখা কান্নাকাটি করেন এবং পলাশের সাথে কোন সম্পর্ক রাখবে না জানিয়ে স্বজনদের কথা দিলে পলাশকে ছেড়ে দেয়ার নামে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। সে সময় তার চাচা, ভাই ও চাচাত ভাইসহ ১৫ থেকে ২০জন তার পেছনে রেরিয়ে যায়। এরপর সকালে রাস্তার উপর তার লাশ পাওয়া যায়।

তিনি জানান, রাত ১২টার সময় প্রেমিক পলাশকে ছেড়ে দেয়ার পর রাস্তায় এগিয়ে দেয়ার নাম করে প্রধান সড়কে নেয়ার পর কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় নিহত পলাশের স্বজনরা এখনো পটিয়ায় এসে পৌঁছায়নি। তারা এসে অভিযোগ দায়ের করলে এ সংক্রান্ত একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 551 People

সম্পর্কিত পোস্ট