চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ২:১৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা , টেকনাফ

টেকনাফে বদি তনয়ার ‘রাজকীয় ওয়ালিমা’

সাবেক এমপি বদি দম্পতি তনয়ার ‘রাজকীয় ওয়ালিমা’ সম্পন্ন হয়েছে। জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিশাল আয়োজন করে মহাধুমধামে অর্ধ লক্ষাধিক অতিথিকে খাওয়ানো হয়েছে কক্সবাজার-৪ আসনের ২ বারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ আবদুর রহমান বদি সিআইপি ও একই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য শাহীন আক্তার চৌধুরী’র একমাত্র কন্যা সামিয়া রহমান সানি’র বিবাহোত্তর ‘ওলীমা’ অনুষ্ঠানে। সামিয়া রহমান সানি টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম এজাহার মিয়া কোম্পানি ও উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম নুরুল ইসলাম চৌধুরী ঠান্ডা মিয়ার নাতী। গতকাল শুক্রবার টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরীপাড়ার ঐতিহ্যবাহী মরহুম এজাহার মিয়া ‘ কোম্পানির বাড়িতে’ এ রাজকীয়

অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ রাজকীয় আয়োজনে ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার পর্যন্ত দাওয়াতি ও ভিআইপি এবং ৪০ হাজার থেকে ৪২ হাজার মানুষ নিজ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের জন্য এই মেজবানের আয়োজন করা হয়। মেজবানে ৬৮টি গরু-মহিষ, ২৩৫টি ছাগল জবাই করে এমপি দম্পতি কন্যার এই বিশাল আয়োজন করা হয়। মেজবানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নেত্রকোনা, বান্দরবানসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আমন্ত্রিতরা অংশ নিয়েছেন। টেকনাফের ঐতিহ্যবাহী কোম্পানি বাড়ির পার্শ্বে প্রায় কোয়ার্টার কিলোমিটার জুড়ে সুসজ্জিত প্যান্ডেল ও রান্নাবান্নার ব্যবস্থা, অতিথিদের অভ্যর্থনার ব্যবস্থা, পৃথক খাওয়ার প্যান্ডেল এবং ওয়াশ রুমের ব্যবস্থা করা হয়। মেজবানে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বয়, বাবুর্চি, ভলান্টিয়ার, ওয়াশ বয় দায়িত্ব পালন করেছে। বর-কণের জন্য করা হয়েছে আলিশান রাজকীয় স্টেজ। রয়েছে গাড়ি পার্কিং। প্রতি ব্যাচে প্রায় ৫ হাজার মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু করে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই খাওয়াদাওয়া চলে। সমসাময়িককালে আয়োজিত এটি কক্সবাজারের সবচেয়ে বড় মেজবান বলে দাওয়াতে অংশ নেয়া লোকজন জানিয়েছেন। কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি বলেন, ‘পাত্র নেত্রকোনা জেলার জয়নগরের ঐতিহ্যবাহী বুনিয়াদি পরিবারের মনোয়ারা ম্যানশনের মরহুম সুরত আলি ও বেগম মনোয়ারা আক্তারের পুত্র ব্যারিস্টার রানা তাজউদ্দীন। আমার কন্যা সামিয়া রহমান সানি’র সাথে ব্যারিস্টার রানা তাজউদ্দীনের প্রায় ৯ মাস আগে ঢাকায় কাবিন-আকদ সম্পন্ন হয়। সামিয়া রহমান সানি বর্তমানে ঢাকাস্থ লন্ডন ইউনিভার্সিটি এন্ড কলেজে অনার্সে চতুর্থ সেমিস্টারে অধ্যয়নরত। আমার একমাত্র পুত্র মেধাবী শাওন আরমান ঢাকা মাইলস্টোন কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। লোকজনকে আপ্যায়ন করা ও খাওয়ানো আমার মরহুম পিতা এজাহার মিয়া কোম্পানিসহ আমার পরিবারের ঐতিহ্যগত অভ্যাস ও রেওয়াজ। আমরা মানুষকে খাওয়াতে পারলেই তৃপ্ত ও সন্তুষ্ট হই। আমি মনে করি এ অঞ্চলের মানুষের আমার পরিবারের উপর হক রয়েছে। তাই এ অঞ্চলের একজন মানুষও না খেয়ে থাকলে আমি খুব বেশি দুঃখ পাই। এ এলাকার মাটি ও মানুষের সাথে আমার রক্ত মিশে গেছে। আমরা সানি ও রানা দম্পত্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ চাই’।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 593 People

সম্পর্কিত পোস্ট