চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

২৪ আগস্ট, ২০১৯ | ২:৫৩ এএম

জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ-বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাতীয়ভাবে আয়োজিত শোভাযাত্রা মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য মহাশোভাযাত্রায় পরিণত হয়। বিভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে নেচে গেয়ে বাদ্য বাজনা বাজিয়ে মহাশোভাযাত্রায় অংশ নেয় অনেকেই। ফেস্টুন ও ব্যানার সহকারে মহাশোভাযাত্রায় অংশ নেন সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও মঠ-মন্দিরের নেতৃবৃন্দ। গতকাল শুক্রবার (২৩ আগস্ট) নগরীর আন্দরকিল্ল­া চত্বরে আয়োজিত মহাশোভাযাত্রার আহবায়ক অলক দাশের সভাপতিত্বে এতে আর্শীবাদক ছিলেন ঋষিধাম অধিপতি ও তুলসীধামের মহারাজ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী। বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিলেটের মহাপ্রভু শ্রী অঙ্গনের অধ্যক্ষ রাধাবিনোদ মিশ্রজী মহারাজ, পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেবাশীষ পালিত, পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গ দে, এডভোকেট চন্দন তালুকদার, তপন কান্তি দাশ, বিমল কান্তি দে, রাখাল দাশগুপ্ত, চসিক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। লায়ন আশীষ ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পরিষদ নেতা ডা. মনোতোষ ধর, সাধন ধর, লায়ন দুলাল চন্দ্র দে, চন্দন দাশ, মাইকেল দে, পরেশ চন্দ্র চৌধুরী, লায়ন তপন কান্তি দাশ, প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, চন্দন দে, লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, রবি শংকর আচার্য, ডা. বিধান মিত্র, উৎসব কমিটির আহবায়ক বাবুল ঘোষ বাবুন, নির্মল কান্তি দাশ, সদস্য সচিব রত্নাকর দাশ টুনু, কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, হাসান মুরাদ বিপ্লব, নিলু নাগ প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, আবহমান কাল থেকে এদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে বসবাস করে আসছে। যেকোন মূল্যে সে ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে হবে। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এদেশ কারও একার নয়, এদেশ সবার। শ্রীকৃষ্ণ আজীবন মানবতার জয়গান গেয়ে গেছেন। তাই তাঁর আদর্শ ধারণ করতে পারলে সমাজে কোন বৈষম্য থাকতে পারে না। ভারতীয় হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী

বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতও আপনাদের পাশে ছিল। এমনকি আমাদের দেশের অনেক নাগরিকও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। যা নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে অতীতের ন্যায় ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থেকে কাজ করে যাবে।

২য় পর্বে উৎসব মঞ্চে পান্না পালের সভাপতিত্বে মাতৃসম্মেলন উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ। প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক বন্দনা দাশ। আর্শীবাদক ছিলেন স্বামী লক্ষ্মী নারায়ণ কৃপানন্দ পুরী মহারাজ। প্রধান বক্তা হুলাইন ছালেহ নুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ছন্দা চক্রবর্তী। আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক রূপন ধর, অধ্যাপিকা পপি সাহা। শিপ্রা চৌধুরীর সঞ্চালনায় মাতৃ সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রূপালী সরকার। বক্তব্য রাখেন কবরী রক্ষিত, গীতা চক্রবর্তী, রুমকি সেনগুপ্ত, ঊষা আচার্য, ঝর্ণা নন্দী, রিংকু ভট্টাচার্য, পম্পী দাশ, শিল্পী চৌধুরী, লক্ষ্মীকর চৌধুরী প্রমুখ।

The Post Viewed By: 67 People

সম্পর্কিত পোস্ট