চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ | ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জলসীমায় বিদেশি জাহাজে বছরজুড়ে পাঁচ ঘটনা

টানা কয়েক বছর চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা দস্যুতা শূন্য থাকার পর গেল বছরে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ঘটছে ৩টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এছাড়া মোংলা বন্দর এলাকায় ঘটেছে ২টি ঘটনা। সমুদ্রে বিদেশি জাহাজে সংগঠিত দস্যুতা ও চুরির ঘটনা রেকর্ড করা আন্তর্জাতিক সংগঠন রিক্যাপ বাংলাদেশ জলসীমায় ২০২২ সালে মোট ৫টি ঘটনা রেকর্ড করে। এসব ঘটনায় চুরি যাওয়া অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার করে শিপিং এজেন্ট ও জাহাজের ক্যাপ্টেনকে হস্তান্তর করেছে কোস্ট গার্ড।

 

রিক্যাপের ২০২২ সালে রেকর্ড করা তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর মোংলা বন্দর এলাকায় লাইবেরিয়া পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ এএস ইলেনিয়ায় কয়েকজন দুষ্কৃতকারী অল্প কিছু মালামাল চুরি করে, যা কোস্ট গার্ড উদ্ধার করে ২৫ নভেম্বর শিপিং এজেন্টকে হস্তান্তর করে। এর আগে, ২০২২ সালের ১১ জুলাই মোংলা বন্দর এলাকায় মাল্টা পতাকাবাহী জাহাজ ব্লু মার্লিনে চুরি করতে এসে ব্যর্থ হয় দুষ্কৃতকারীরা। ক্যাপ্টেন জাহাজের এলার্ম চালানোর পর দস্যুরা জাহাজে না উঠেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে কোস্ট গার্ড তাদের আটক করে স্থানীয় থানায় সোপর্দ করে।

 

এছাড়া গত বছরের ২৬ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে থাকা একটি ওয়েল ট্যাংকারের স্টো থেকে একটি তারের কয়েল চুরি হয়। তবে জাহাজের ক্যাপ্টেন সতর্ক থাকায় বড় কোন ঘটনা ঘটেনি। এর আগে ১৬ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙরে বাংলাদেশি জাহাজ এলপিজি সোফিয়া অবস্থান করার সময় এক দুষ্কৃতিকারী জাহাজে উঠে ২০ ক্যান রং এবং ২ ড্রাম লুব্রিকেন্ট চুরি করে। তবে কোস্ট গার্ড চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করে এবং এ ঘটনায় জাহাজের কোন ক্রু জড়িত থাকার বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেন।

 

এদিকে, ২০২২ সালের ১৫ মার্চ প্রথম ঘটনা ঘটেছিল চট্টগ্রাম বন্দরের আওতাধীন সিএফইউএলের জেটিতে। ওইদিন পানামা পতাকাবাহী কেমিক্যাল জাহাজ ওয়াওয়াসান টোপাজে একটি কাঠের নৌকা দিয়ে ৬জন জাহাজে উঠে। তবে ২০ মিনিটের মধ্যে জাহাজের স্টোর থেকে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করে দেয়।

পূর্বকোণ/আরএ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট