চট্টগ্রাম রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৯ আগস্ট, ২০১৯ | ২:১২ এএম

নিজস্ব সংবাদদাতা

দুদক ৪৭ জনের বক্তব্য গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করছে আজ

চবিতে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ১৪২ কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম খতিয়ে দেখতে প্রক্টর, ডিনসহ ৪৭ জনের বক্তব্য গ্রহণ প্রক্রিয়া আজ (সোমবার) থেকে শুরু করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এরমধ্যে প্রথম দফায় ১৯ আগস্ট (আজ) ১২ জনকে, ২০ আগস্ট অপর ১২ জনকে এবং ২১ আগস্ট অবশিষ্ট ১১ জনকে নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২২ আগস্ট সাবেক প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ আট শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সহ আরো দুই কর্মকর্তাকে বক্তব্য প্রদানের জন্য ডাকা হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ জুলাই দুদকের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বয়-১ এর তদন্তকারী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি চবি রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো হয়। যেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিধিবহির্ভূত নিয়োগের অভিযোগ আনা হয়। দুদক কর্তৃক পাঠানো তালিকায় দেখা যায়, প্রথমেই নাম রয়েছে খোদ বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নুর আহমদের। এছাড়া তালিকায় আরো নাম রয়েছে তৎকালীন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সাবেক প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী এবং সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদের। এতে আরো নাম রয়েছে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এফ এম আওরঙ্গজেব, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শফিউল ইসলাম, পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. রাশেদ উন নবী চৌধুরী, শাহ আমানত হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গোলাম কবির এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত হিসাব নিয়ামক ফরিদুল আলম।
এব্যাপারে দুদক কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম বলেন, সোমবার (আজ) থেকে চবির ৪৭ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পর্যায়ক্রমে ডাকা হচ্ছে। যা আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
এদিকে, দুদকের তলবের ঘটনায় তলবকৃতরা নিজদের মধ্যে তথ্যের সমন্বয় করতে অনেকটা ড্রেস রিহার্সাল (অনুশীলন) করছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

The Post Viewed By: 522 People

সম্পর্কিত পোস্ট