চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সর্বশেষ:

১৩ ডিসেম্বর, ২০২২ | ১২:০১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইউএসটিসি ক্যাম্পাসকে জিরো কার্বন ঘোষণা সাহসী উদ্যোগ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে ইউএসটিসি ক্যাম্পাসকে জিরো কার্বন ঘোষণা একটি সাহসী উদ্যোগ। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর ক্রমাগত কার্বন নিঃসরণের কারণে বাংলাদেশের মত দেশগুলো ক্ষতির শিকার হচ্ছে। তাই জলবায়ু রক্ষায় সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করছে। সরকার চেষ্টা করছে মোট জ্বালানির ৩০-৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে সংগ্রহ করতে।’

 

গতকাল সোমবার বিকেলে নগরীর রেডিসন ব্লুতে ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি) আয়োজিত রিনিউয়েবল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

 

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার ঘনত্বের দেশ। আবার ভৌগলিক কারণে বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রবণ। তারপরও আমরা কৃষি ক্ষেত্রে স্বনির্ভর। আমরা ধান, মাছ সহ বিভিন্ন কৃষি পণ্য উৎপাদনে এগিয়ে। কিভাবে এ উন্নয়ন সম্ভব হলো? এটি কোনো জাদু নয়, এটি প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্ব।

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, একটি বিদেশি জার্নালের স্টাডি অনুযায়ী, প্রতি বছর ডিজিটাল সেক্টরের এনার্জি কনজাম্পশন বাড়ছে ৯ শতাংশ হারে। নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে, সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখতে পরিবেশ বান্ধব জীবনের কোন বিকল্প নেই। টেকনোলজির ব্যবহারে আমরা যত দ্রত এগোচ্ছি, তত দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছি সমাপ্তি রেখার দিকে। তাই কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমিয়ে যে পদচিহ্ন দিকনির্দেশ করে আলোর দিকে, সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করাই এখন একমাত্র উপায়।

 

ইউএসটিসি মেডিকেল ফ্যাকাল্টির ডিন ডা. এ এম এম এহতেশামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম, ইউএসটিসি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক, ইউএসটিসির পরিচালক ডা. শেখ মাহসিদ নুর, ইউএসটিসি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ ইফতেখারুল ইসলাম।

 

ইউএসটিসি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাইড্রোকার্বন জ্বালানির সীমিত সরবরাহ এবং বৈশিক উষ্ণায়নের কারণে বর্তমানে নবায়নযোগ্য শক্তির চাহিদা বাড়ছে। ২০২৫ সালের মধ্যে ইউএসটিসি ক্যাম্পাসের জিরো কার্বন স্ট্যাটাসের লক্ষ্য হবে ইউএসটিসি ক্যাম্পাসকে স্বনির্ভর এবং গ্রিড বিদ্যুৎ থেকে স্বাধীন করার জন্য সৌর, বায়ু এবং অন্যান্য পুনঃ নরায়নযোগ্য শক্তি তৈরি করা।

 

পূর্বকোণ/আর

 

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট