চট্টগ্রাম রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৯ আগস্ট, ২০১৯ | ১:৩৯ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়লা পানি-আবর্জনায় ভরা সড়ক

 

দীর্ঘদিন ধরে নোংরা পানি জমে আছে। নালায় পানির চলাচলও নেই। আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা। দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটি একটি সড়ক। ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়ার মিয়াখান বাড়ির চিত্র এটি। একটু বৃষ্টি বা জোয়ারের পানি আসলেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। চারিদিকে ময়লা ও নোংরা পানিতে ভরপুর হয়ে থাকে। একদিকে এলাকাবাসী ডেঙ্গু আতঙ্কে রয়েছে। অন্যদিকে সড়কটিতে ময়লা-অবর্জনায় হাঁটার অবস্থা নেই। এলাকাবাসীর অভিযোগ করে বলেন, প্রথমে দেখে যে কেউ মনে করবে এখানে যত্ন সহকারে ‘মশার চাষ’ করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় কাউন্সিলর জানিয়েছেন, নালা সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়েছে। বর্ষা শেষ হলেই কাজ শুরু হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. ইসা খান জানান, নালাগুলো পরিষ্কার করার বিষয়ে কাউন্সিলরকে একাধিকবার বলেছি। করবে করবে বলে আশা দিলেও এখনো কোন কাজ করেনি। রাস্তাটি সম্পূর্ণ পানির নিচে থাকে। এতো নোংরা পানি, এখানে হাঁটার কোন অবস্থা নেই। এছাড়া, এভাবে দীর্ঘদিন ময়লা পানি জমে থাকায় এলাকাবাসী মশাসহ বিভিন্ন পোকা-মাকড়ের আতঙ্কে রয়েছে। ছোট ছোট স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ময়লা পানির উপর দিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে।

বিশ^বিদ্যালয়ে পড়–য়া এলাকার আরেক বাসিন্দা আয়েশা ছিদ্দিকা বলেন, বিশ^বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়ে পানির কারণে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। রাস্তাটি হেঁটে পাওয়ার উপায় নেই। এতো নোংরা পানি, দেখলেই বোমি আসে। প্রথমে দেখলে যে কেউ মনে করবে, এখানে যত্ন সহকারে ‘মশার চাষ’ করা হচ্ছে। রিকশা না পাওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এই রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার কাউন্সিলকে জানালেও এখনো কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে কাউন্সিলর ইয়াছিন চৌধুরী আছু বলেন, নালার পাশে কয়েকটি বিল্ডিং এ নির্মাণ কাজ চলছে। নির্মাণ কাজের সময় বিল্ডিং থেকে বালি, সিমেন্ট ইত্যাদি পড়ে নালটি ভরাট হয়ে গেছে। আমি নির্মাণাধীন ভবনগুলোকে একাধিকবার বলেছি তারা যেন নালায় কোন কিছু না ফেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে কয়েকবার নালাটি পরিষ্কার করেছি। এরপরও পানি জমে যায়। ইতিমধ্যে নালাটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়েছে। বর্ষা শেষ হলেই কাজ শুরু হবে।

The Post Viewed By: 92 People

সম্পর্কিত পোস্ট