চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩

সর্বশেষ:

৩০ নভেম্বর, ২০২২ | ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মদ আলী

জনসভার উৎসবে ‘ভোটের প্রস্তুতি’

আগামী ৪ ডিসেম্বর নগরীর পলোগ্রাউন্ডে নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের জনসভা। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা জনসভায় প্রধান অতিথি থাকবেন। এ জনসভাকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ব্যাপক প্রস্তুতি ও বিরামহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিটে এবং উত্তর ও দক্ষিণ জেলায় থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাপিয়ে ঘরে ঘরে প্রচারণা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রায় এক মাস ধরে টানা প্রচারণায় ইতোমধ্যে বেশ সাড়াও পড়েছে।

 

আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, এবার চট্টগ্রামের এ জনসভায় স্মরণাতীতকালের মধ্যে বড় জমায়েত হবে। তবে প্রচারণার আড়ালে চট্টগ্রামের অধিকাংশ সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা তাদের অবস্থান জানান দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জনসভায় কে কার চেয়ে লোক সমাগম বেশি দেখাবে ভেতরে ভেতরে তার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন নেতারা।

 

চট্টগ্রামে সংসদীয় আসনের সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে ১৪টি আওয়ামী লীগের, ২টি তাদের শরিকদলের। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা নিজের আসনে ব্যাপক মিটিং ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি লোক সমাগম বাড়াতে নেতাকর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে লোকজনকে জনসভায় আসতে উদ্বুদ্ধ করছেন। একই সমান্তরালে প্রচারণা ও সভা করছেন নগর, জেলা, থানা ও ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতারাও। বসে নেই সিটি মেয়র, আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান, মেয়র, কাউন্সিলর, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররাও। তারাও রাত অবধি পর্যন্ত প্রচারণামূলক সভা-সমাবেশ করে যাচ্ছেন।

 

আওয়ামী লীগের কয়েক নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে আওয়ামী লীগের অধিকাংশ সংসদ সদস্য বড় ধরনের শোডাউন দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে বড়সড় প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন তারা।

 

জানতে চাইলে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালাম পূর্বকোণকে বলেন, ‘আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় সমাপ্তির পথে। সর্বোচ্চ জমায়েতের জন্য সব ধরনের কাজ করছি। আশা করি এবার জনসভায় লোক জমায়েতে অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। তাই লোকজন জনসভা স্বাচ্ছন্দ্যে দেখতে মাঠের বাইরে এলইডি বসানোর প্রস্তুতিও নিয়েছি।’

 

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি পূর্বকোণকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভূতপূর্ব উন্নয়ন কাজ করেছেন। তাই ৪ ডিসেম্বর জনসভায় আওয়ামী লীগ ছাড়াও সাধারণ জনগণও উপস্থিত হবেন। এ কারণে এবারের জনসভা একটি ঐতিহাসিক জনসভায় রূপ নিবে। পলোগ্রাউন্ড মাঠ ছাপিয়ে বাইরেও জনসমুদ্রে পরিণত হবে।’

 

পূর্বকোণ/আর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট