চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৮ আগস্ট, ২০১৯ | ২:১৭ এএম

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটিয়া

অভিযোগের ২৩ দিন পর তদন্তে পুলিশ!

পটিয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ

পটিয়া উপজেলার জিরি এলাকার বাসিন্দা সেলিম উদ্দিনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জায়গা-জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা সেলিমের বিরুদ্ধে এ মামলা দিয়েছে। এদিকে, ঘটনা পরবর্তী লিখিত অভিযোগ দায়ের করার ২৩ দিন পর গতকাল (শনিবার) সকালে তদন্তে গেলেন পটিয়া থানার এস আই মো. জাহাঙ্গীর। বেআইনি ও সন্ত্রাসীমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে গত ২২ জুলাই পটিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ভুক্তভোগী সেলিম উদ্দিন। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী সেলিম পটিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। উক্ত লিখিত অভিযোগটি অনুলিপি হিসেবে পটিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার ভূমি ও পটিয়া থানার ওসিকেও প্রদান করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জিরি ইউনিয়নের ফজল কাদেরের বাড়ি এলাকায় সেলিম উদ্দিনের সাথে প্রতিপক্ষ জমির উদ্দিন চৌধুরীর দীর্ঘদিন ধরে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উক্ত বিরোধীয় জায়গায় প্রতিপক্ষ রতন গত ৪ জুলাই জোরপূর্বক জায়গা দখল করতে যায়। পরে সেলিম পটিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানার এস আই আল আমিন উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন এবং বিরোধীয় জায়গায় কোন ধরনের শান্তিশৃঙ্খলা যাতে বিঘিœত না হয় তার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু গত ৮ জুলাই সেলিমের প্রতিপক্ষরা সন্ত্রাসী কায়দায় বহিরাগত লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক বিরোধীয় জায়গায় বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করতে থাকে। পরে সেলিম উদ্দিন বাদি হয়ে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারায় একটি মিছ মামলা দায়ের করেন। উক্ত মিছ মামলার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ বিচারক শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পটিয়া থানার ওসিকে নিদের্শ প্রদান এবং বিরোধীয় জায়গার বিষয়ে তদন্তক্রমে প্রতিবেদন প্রদানের জন্য স্থানীয় সহকারী কমিশনার ভূমি পটিয়াকে প্রেরণ করেন। পুনরায় প্রতিপক্ষরা গত ২২ জুলাই উক্ত বিরোধীয় জায়গায় জোরপূর্বক বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করতে গেলে সেলিম উদ্দিনের সাথে প্রতিপক্ষ জমির উদ্দিন চৌধুরী রতনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জমির উদ্দিন চৌধুরী বাদি হয়ে সেলিম উদ্দিনকে হয়রানি করার জন্য একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সেলিম উদ্দিন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পটিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর জানান, থানায় ফোর্স না থাকাতে তদন্তে যেতে দেরি হয়েছে আগামী শুক্রবার উভয় পক্ষকে থানায় কাগজপত্র নিয়ে থানায় বৈঠকে আসতে বলা হয়েছে।
পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন জানান, অভিযোগের ২৩ দিন পর তদন্তে যাওয়ার বিষয় নিয়ে উক্ত এসআইয়ের সাথে আলাপ করতেছি। এছাড়া অভিযোগের তদন্তের প্রেক্ষিতে এ ঘটনায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, প্রতিপক্ষ রতনের ব্যক্তিগত মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে রতনের ম্যানেজার পরিচয়ে আবুল কালাম জানান, ‘রতন বিদেশে রয়েছে। এ ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত নই’।

The Post Viewed By: 179 People

সম্পর্কিত পোস্ট