চট্টগ্রাম সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সর্বশেষ:

১৭ আগস্ট, ২০১৯ | ১০:৫৭ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক

খুঁজতে গেলেন বাড়তি ভাড়ার সত্যতা, মিললো অবৈধ বাস

বিআরটিএ, চট্টগ্রামের ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মঞ্জুরুল হক। দুপুর থেকেই তিনি (ম্যাজিস্ট্রেট) চট্টগ্রাম – হাটহাজারী রুটের বালুচড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালাচ্ছিলেন।  এ   সময় বাঁশখালীর এক যাত্রী ফোন করে তাকে অভিযোগ করেন, বাসের সহকারি নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে তার কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। অভিযোগ পেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ওই যাত্রীকে বললেন, কথা না বাড়িয়ে শহরের দিকে চলে আসতে। কর্ণফুলী শাহ আমানত নতুন ব্রিজের কাছাকাছি এলে ‍যেন তাকে ফোন দেন।

ম্যাজিস্ট্রেটের কথামতো ওই যাত্রী বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে প্রবেশের সময় ফোন দেন এবং নিজেদের অবস্থানের কথা জানান। ম্যাচিস্ট্রেট মঞ্জুরুল চট্টগ্রাম-রাঙামাটি রুটের অভিযান সংক্ষিপ্ত করে রওনা দেন বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালের দিকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি দেখেন, যাত্রীরা নেমে গেছেন। বাসের মধ্যে চালক ও হেল্পার টাকা গুনছেন। ম্যাজিস্ট্রেট প্রথমেই অভিযোগকারীর যাত্রীর বাড়তি ভাড়া ফেরত দিলেন। পরে বাসের কাগজপত্র যাচাই করে দেখেন গাড়িরে সকল কাগজের মেয়াদ পাঁচ-ছয় বছর আগেই ‍উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। অর্থাৎ, ওই বাসের রুট পারমিটসহ আনুষাঙ্গিক কাগজপত্র হালনাগাদ করা নেই। ম্যাজিস্ট্রেট আইনানুযায়ী বাসটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এবং বাস জব্দ করে সেটি চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর করেন।

মঞ্জুরুল হক জানান, বাসটির কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মতো সরকারের পাওনা রয়েছে। সব সরকারি বকেয়া পরিশোধের পর বাসটি ছাড়া হবে।

ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল হক জানান, নতুন ব্রিজ এলাকায় আজ শনিবার পরিচালিত অভিযানে বাড়তি ভাড়ার অভিযোগে ১০টি বাসকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। যাত্রীদের সার্বিক কল্যাণে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

পূর্বকোণ/ রাশেদ

The Post Viewed By: 207 People

সম্পর্কিত পোস্ট