চট্টগ্রাম শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২২

১১ অক্টোবর, ২০২২ | ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিডিউল মেনে চলাচল করবে ১৯টি জাহাজ

চট্টগ্রাম বন্দর-পানগাঁও রুটে চলাচলকারী ১৯টি জাহাজ সিডিউল মেনে চলাচল করবে। এতে সব জাহাজ কাজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলো। গতকাল এই রুটে চলাচলকারী ১৯টি জাহাজের তালিকা শিডিউল আকারে প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ওই শিডিউলটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর আগে শিডিউল নির্ধারনে গত ৪ অক্টোবর জাহাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। সেখানেই শিডিউল নির্ধারণ হয়।

শিডিউলে ক্রম অনুসারে থাকা জাহাজগুলো হলো- এসএপিএল-১, হারবর-১, কেএসএল প্রাইড, এমভি উত্তোরণ, এমভি নৌ কল্যাণ-১, মেরিন ট্রাস্ট-৪, কেএসএল গ্লাডিয়াটর, ইনভিক্তা-১, এমভি উদ্দিপন, মেরিন ট্রাস্ট-৩, এমভি উন্নয়ন, শ্যামায়েল, মার্কেন্টাইল-৩৪, মেরিন ট্রাস্ট-৫, এমভি নৌ কল্যাণ-২, এমভি উদয়ন, মেরিন ট্রাস্ট-১, এমভি ট্রান্স সমুদ্র এবং এমভি পানগাঁও এক্সপ্রেস।

এর আগে সিডিউল মেনে চট্টগ্রাম-পানগাঁও রুটে জাহাজ চলাচলের জন্য প্রতিনিধিদের নিয়ে চলতি বছরের ৩১ মে বৈঠক করেছিল চট্টগ্রাম বন্দর। পরে ২৭ জুন ১৮টি জাহাজের শিডিউল প্রকাশ করেছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। ১৮টির পর ১৯ নম্বরে এবার আরো একটি জাহাজ তালিকাভুক্ত করে শিডিউল প্রকাশ করা হলো।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দরের অন্যতম সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা বহুল প্রত্যাশার পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনালে গতবছর মাত্র ২৭ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। দেশের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যে বহুমুখী সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৩ সালে প্রায় ৩৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে বিআইডব্লিউটিএর মালিকানাধীন ৫৫ একর জায়গার উপর এই কনটেইনার টার্মিনাল গড়ে তোলা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের ঢাকামুখী কনটেইনারের চাপ কমানো, চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের গাড়ির চাপ কমানো, রাস্তার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি, ঢাকা অঞ্চলের আমদানি রপ্তানিকারকদের খরচ সাশ্রয়সহ বিভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে টার্মিনালটি গড়ে তোলা হয়। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এই টার্মিনালে নিয়মিত কনটেইনার আনা নেয়ার কথা ছিল।

অর্থাৎ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিকৃত ঢাকা অঞ্চলের যেসব কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে সেগুলো ছোট আকৃতির জাহাজে বোঝাই করে পানগাঁও টার্মিনালে নিয়ে যাওয়া হবে। এতে ঢাকা অঞ্চলের কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে আনা নেওয়ার বিদ্যমান ব্যবস্থায় মহাসড়ক এবং রেলওয়ের উপর যে চাপ পড়ে তা কমে যাবে। একই সাথে ব্যবসায়ীদের খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে।

পূর্বকোণ/আর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট