চট্টগ্রাম সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

৯ আগস্ট, ২০২২ | ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

ইউসিবি ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে হয়রানির অভিযোগ

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরীকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ‘মিথ্যা’ গুমের নাটক সাজিয়ে আনিসুজ্জামান চৌধুরীকে ফাঁসানোরও চেষ্টা করেছে একটি দুর্বৃত্তচক্র। অপসাংবাদিকতার শিকার আনিসুজ্জামান চৌধুরী বাধ্য হয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশকারী পত্রিকা কর্তৃপক্ষ ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে মামলা দায়ের করেছেন। (সি.আর মামলা নং ২১৭০/২০২০ (কোতোয়ালী), তারিখ ০৯/১২/২০২০ইং। ধারা-৫০০/৫০১/৫০২ সঃ বিঃ।)

সূত্র মতে, আনিসুজ্জামান চৌধুরীর বাবা মরহুম আকতারুজ্জামান ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, সমাজসেবক ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ। বড় ভাই সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাতীয় সংসদের সদস্য এবং ভূমিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। ওই চক্রটি ভূমিমন্ত্রী এবং তার ভাইয়ের ক্ষতি ও সামাজিকভাবে তাদেরকে হেয় করতে মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে। আর এ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে গণমাধ্যমকে।

আনিসুজ্জামান চৌধুরীর পক্ষে আমমোক্তার কাজল কান্তি দে’র দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার ৩ নম্বর বিবাদী গোলাম সরোয়ারের তৈরি করা একটি সংবাদ প্রতিবেদন ২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর চট্টগ্রাম প্রতিদিন অনলাইনে প্রচার করা হয়; যার শিরোনাম ছিল ‘চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীর জায়গায় ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের কুদৃষ্টি’। ওই সংবাদে বলা হয়, ‘চট্টগ্রাম নগরীর সার্সন রোডের জেএস কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের ভবন নির্মাণ প্রকল্পের জায়গা অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরী। এমন কি সেখানে নির্মাণ কাজ করতে গেলে হত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন আনিসুজ্জামান।’

মূলত, ওই জমির প্রকৃত মালিক মোহাম্মদ মেজবাউদ্দৌলা ২০১১ সালের ২৭ জুন জেএস কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের সাথে ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি করেন। পরবর্তীতে তিনি জেএস কনস্ট্রাকশন বরাবর একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান করেন। কিন্তু জেএস কনস্ট্রাকশন চুক্তি অনুযায়ী ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত কোনো কাজ না করে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেন। এরপরও ওই জমি দীর্ঘদিন পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন-২০১২ মতে পূর্বে প্রদত্ত পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বাতিল পূর্বক নোটিশ প্রদান করেন জমির মালিক মোহাম্মদ মেজবাউদ্দৌলা। ২০১১ সাল থেকে অপেক্ষার পর ২০২০ সালে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রত্যাহার করেন। এরপর জমির মালিক মোহাম্মদ মেজবাউদ্দৌলা চৌধুরী ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর আনিসুজ্জামান চৌধুরীর স্ত্রী ইমরানা জামান চৌধুরীর কাছে ওই জমি বিক্রির পরে দখল হস্তান্তর করেন। অর্থাৎ, অন্যের জমি দখলের চেষ্টা নয়, নিজ অর্থে কেনা জমিরই দখল বুঝে নিয়েছেন আনিসুজ্জামান চৌধুরী। এ ছাড়া তাকে ফাঁদ পেতে বেকায়দায় ফেলতে কুচক্রীমহল আরও নানাবিধ চক্রান্তের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলেও অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী কাজল কান্তি দে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। 

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট