চট্টগ্রাম শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২

সর্বশেষ:

৮ জুলাই, ২০২২ | ৪:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সনদনির্ভর শিক্ষা মূল্যহীন, সবাইকে দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ নিতে হবে : শিক্ষা উপমন্ত্রী

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের পাশাপাশি দক্ষতারও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হলে প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর বিকল্প নেই। সনদনির্ভর শিক্ষার মূল্য নাই, তাই সবাইকে দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, সরকার সারাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করছে। আগামীতে আর রাস্তাঘাট, ব্রিজ এগুলোর জন্য তেমন বিনিয়োগ করতে হবে না। বিনিয়োগ হবে শিক্ষা আর স্বাস্থ্যখাতে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় একবছরের ব্যবধানে দেশের তিনশটির বেশি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভূক্ত করা হয়েছে। যা দেশের জন্য মাইলফলক।

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাবৃত্তি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করণের একটি মাধ্যম এবং সাফল্যের স্বীকৃতি। যা চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ বছর বছর করে যাচ্ছে। ফার্স্ট বয় হলে যে চাকরি হবে তা ঠিক নয়। শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের জন্য নানান ধরনের পেশার প্রতি এখন থেকে মনযোগী হতে হবে। বিদেশে মেধাবী শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার জন্য বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়ে থাকে। তাই সরকার প্রতিটি উপজেলায় কারিগরী কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। পৃথিবীর সকল সফল মানুষ নানা বিষয়ে অভিজ্ঞ।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম বলেন, সবকিছুর বিকল্প থাকলেও শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। সুশিক্ষিত আর শিক্ষিত হওয়ার মধ্যে তফাৎ আছে। সবাইকে সুশিক্ষিত ও আলোকিত হতে হবে। নৈতিকতায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠী ছাড়া কোন জাতি বা দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাই সবাইকে নৈতিকতা সম্পন্ন হতে হবে ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে। সুশিক্ষিত হতে অনুপ্রেরণা যোগানোর জন্যই শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষাবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দেশকে ভালবেসে সঠিক ও সত্য ইতিহাস জানতে হবে।

 

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাব্বির ইকবাল বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের আওতায় জেলার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ-মাদ্রাসার ২৭৪ জন অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে এ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হবে। এবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতি শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার এবং কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের প্রতি শিক্ষার্থীকে ৮ হাজার টাকা করে দেয়া হবে। গত দশ বছরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মোট ৫ হাজার ৫৩১ জনকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

জেলা পরিষদের সচিব দিদারুল আলমের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মুস্তফা কামরুল আখতার।

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট