চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট, ২০২২

সর্বশেষ:

৫ জুলাই, ২০২২ | ১১:০৮ অপরাহ্ণ

কর্ণফুলী সংবাদদাতা

কর্ণফুলীতে রমজান হত্যা : রিমান্ড শেষে কারাগারে রাশেদ

তিনদিনের রিমান্ড শেষে মাহাম্মদ রাশেদ (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় পরাজিত মেম্বার পদপ্রার্থীর সমর্থক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রমজান আলী (৩৫) হত্যা মামলার আসামি ছিলেন তিনি।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) বিকেলে মহানগর দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন। রাশেদ ইছানগর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শফিউল আলমের ছেলে। সে রমজান হত্যা মামলার ২ নম্বর এজাহার নামীয় আসামি।

এর আগে গত ২৭ জুন কর্ণফুলী থানা পুলিশ তাকে চাঁদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্ণফুলী থানার উপ-পরিদর্শক রাজ্জাক পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুলাল মাহমুদ। পূর্বকোণকে বলেন, রমজান হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামি রাশেদকে রিমান্ড শেষে আদালতে প্রেরণ করা হলে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন কর্ণফুলীর চরপাথরঘাটা ইউনিয়নে শেষ ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পরাজিত মেম্বার প্রার্থীকে ভোট দেয়ায় নির্বাচনের পরের দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিজয়ী মেম্বার পদপ্রার্থী সাইদুল হকের সমর্থকরা পরাজিত মেম্বার পদপ্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাকের সমর্থক রমজানকে ধরে মারধর করে। এক পর্যায়ে গ্রেপ্তার শহীদুল রমজানকে ছুরিকাঘাত করলে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পরদিন নিহতের বড় ভাই মো. আলমগীর বাদী হয়ে ৭ জনের বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিরা সবাই ওই ওয়ার্ডের বিজয়ী মেম্বার প্রার্থী সাইদুল হকের সমর্থক।

এর মধ্যে মামলার প্রধান আসামি রাশেদের ছোটভাই শহীদুলকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মামলার ৫ নম্বর আসামি মো. সেলিমের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ (১৮), ৬ নম্বর আসামি বশির উল্লাহর ছেলে আরিফুল ইসলাম দুখু (১৯) ও ৭ নম্বর আসামি মো. জামালের ছেলে মো. বিজয় (২০) আদালতে আত্মসর্মপণ করেছেন।

 

পূর্বকোণ/নয়ন/মামুন/পারভেজ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট