চট্টগ্রাম শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২

সর্বশেষ:

৩ জুলাই, ২০২২ | ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হচ্ছেন ফোরকান

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের নামে ভুয়া ব্যয় মঞ্জুরিপত্র দাখিলের মাধ্যমে সরকারের ৫ কোটি ৩৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা অর্থছাড়ের অপচেষ্টার ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হচ্ছেন হাসপাতালের হিসাব রক্ষক মোহাম্মদ ফোরকান।

আলোচিত ভুয়া ব্যয় মঞ্জুরিপত্র কোথায় থেকে এসেছে বিষয়টি খুঁজতেই তদন্ত কমিটি আজ রবিবার চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে যাবেন। এ সময় কমিটি আলোচিত এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ২৯ জুন ভুয়া ব্যয় মঞ্জুরিপত্র দাখিলের মাধ্যমে অর্থছাড় চেষ্টার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে আলোচ্য বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। ইতোমধ্যে কমিটি এ সংক্রান্ত বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, রবিবার বেলা ১১টার দিকে জেনারেল হাসপাতালে যাবেন কমিটির সভাপতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. সাখাওয়াত উল্ল্যাহ, সদস্য জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী ও সদস্য সচিব স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. সুমন বড়ুয়া।

জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির সভাপতি বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. মো. সাখাওয়াত উল্ল্যাহ পূর্বকোণকে বলেন, ‘তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাজে রবিবার জেনারেল হাসপাতালে কমিটির সদস্যরা যাবেন। সেখানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হবে।’

এর আগে গত ২৮ জুন নগরীর দুই নম্বর গেটস্থ বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ক্রয় করা আইসিইউ শয্যা, ভেন্টিলেটরের ৫ কোটি ৩৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার একটি বিল ছাড়ের কাগজপত্র উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু হিসাব বিভাগের কাছে ধরা পড়ে ব্যয় মঞ্জুরিপত্রটি ভুয়া ও জাল। এ ঘটনায় শুরু থেকেই অভিযোগের আঙ্গুল যায় হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ ফোরকানের দিকে। যদিও ফোরকান বরাবরের মত দাবি করে আসছেন আলোচ্য ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নেই। তবে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগ তুলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফোরকানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।

অভিযোগে ফোরকানের নাম চার নম্বরে রাখলেও বাকিরা হলেন- ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মোসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজের মুন্সি ফারুক হোসেন (৬০), সাজ্জাদ হোসেন (৫৫), কর্মচারী মুকিত মণ্ডল (৩২)।

 

পূর্বকোণ/এএস

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট