চট্টগ্রাম শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২

সর্বশেষ:

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ | ৩:১১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্য সবার চেয়ে আলাদা ইকুইটি

দেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আবাসন শিল্পে বর্তমান অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো এবং ইতিবাচক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আমাদের বিশ্বাস। বসবাসযোগ্য জমির উচ্চমূল্য ও স্বল্পতার কারণে গ্রাহকেরা ফ্ল্যাট ক্রয়ে আকৃষ্ট হচ্ছেন। তবে নির্মাণসামগ্রীর উর্ধ্বগতির কারণে ফ্ল্যাটের মূল্য কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে সরকারের নানামুখী ইতিবাচক সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে সিঙ্গেল ডিজিট ব্যাংক লোনের কারণে ফ্ল্যাটে  বিনিয়োগ বেড়েছে।

পরিবেশবান্ধব নির্মাণ, মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, যুগোপযোগী ও পরিবেশবান্ধব ডিজাইন, উন্নত নির্মাণশৈলী এবং ক্রেতাবান্ধব বিক্রয়োত্তর সেবা ইকুইটিকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করেছে। ফ্ল্যাটের মানের ব্যাপারে ক্রেতারা খুবই সন্তুষ্ট, কারণ নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারে গুনগত মান নিয়ে কোন আপোষ করি না। শিশুদের খেলার জায়গা, বড়সড় খালি জায়গা, এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করে ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়। ৫৬টি প্রকল্প ইতোমধ্যে ক্রেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে ৮টি প্রকল্পের কাজ চলমান আছে।

সরকার যদি সরকারি ভূমিগুলো প্লট আকারে বিক্রি না করে আবাসন ব্যবসায়ীদের সাথে যৌথ অংশীদারি ভিত্তিতে কাজ করে তাহলে ক্রেতারা অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে ফ্ল্যাট ক্রয় করতে পারবে এবং মধ্যেবিত্ত ও নি¤œ মধ্যেবিত্ত  ক্রেতাদের জন্য সুযোগ সৃষ্ট হবে।

২০০৩ সালে ইকুইটি ভিলেজ নামে প্রথম কন্ডোমিনিয়াম প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়। ওই প্রকল্পে ১১২টি ফ্ল্যাট ছিল। ওই প্রকল্প হস্তান্তরের একযুগ পরও ক্রেতারা তৃপ্ত। নগরীর আগ্রাবাদে “ইকুইটি মিডসিটি” নামে ৪৫ কাঠা জায়গার উপর আরেকটি কন্ডোমিনিয়ামের কাজ শুরু হয়েছে।

অনুকূল এবং গ্রহণযোগ্য পরিবেশ : সবুজ স্থাপত্য নকশায় ইকুইটি মিডসিটিতে ১৭ তলা ভবনের মোট এপার্টমেন্ট রয়েছে ১৪৮টি। একেকটা এপার্টমেন্ট আকার ১২৫৬ বর্গফুট থেকে ১৫২৪ বর্গফুট। ভবনের সেমি এবং সেমি বেসমেন্ট চার স্তরে মোট ৮৪টি কার পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রকল্পের রয়েছে খোলামেলা পরিবেশ। দ্বিগুণ উচ্চতার অভ্যর্থনা কেন্দ্রে অতিথিদের বসার জায়গার পাশাপাশি থাকবে অনেক খোলা জায়গা। এ ভবনে প্রায় ৭ কাঠা জায়গার উপরে থাকবে সবুজ মাঠ যেখানে ঘাসের উপর হাটার ব্যবস্থার পাশাপাশি বাচ্চাদের খেলাধুলা করার সুযোগ তো থাকছেই। সীমানা দেয়াল ঘেঁষে থাকবে গাছপালা যাতে ভবনের বাসিন্দারা বাড়ির চার দেয়ালের মধ্যেই একটু দম ফেলার ফুরসত পান। ভবনে উঠা-নামার জন্য ৪টা সুপরিসর প্রশস্ত উচ্চগতি সম্পন্ন লিফট এবং স্বাস্থ সুরক্ষায় বহুমুখী ব্যবহার উপযোগী হেলথ ক্লাব। ভবনের বাসিন্দাদের প্রাইভেসি রক্ষা এবং লিফট এর উপর বাড়তি চাপ কমাতে কমিউনিটি হল রাখা হয়েছে ভবনের প্রথম তলায়। নিজস্ব জেনেরেটরের মাধ্যমে জরুরী বিদ্যুৎ সরবরাহ, নিজস্ব পানি শোধনাগার, নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।

আকর্ষণীয় মূল্য এবং দীর্ঘমেয়াদী কিস্তি সুবিধা : এপার্টমেন্ট এখন বিলাসিতা নয়, বরং জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। ক্রেতাদের পছন্দের কথা বিবেচনা করে প্রকল্পে মোট ১০ সাইজের এপার্টমেন্ট রাখা হয়েছে। চাহিদা এবং বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী যা সবার জন্য অনুকুল এবং সাশ্রয়ী। গ্রাহকেরা তাদের সুবিধা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৬০ কিস্তিতে এপার্টমেন্টের মূল্য পরিশোধের পাশাপাশি শর্তানুযায়ী বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘমেয়াদী গৃহঋণ সুবিধা পাবেন।

মেঘের সাথে নদী আর সাগরের মিতালী : দক্ষিনমুখী এই ভবনটি থেকে একদিকে কর্ণফুলী এবং অপরদিকে বঙ্গোপসাগর দেখা যাবে। বেলকনিতে দাঁডিয়ে সামনের চোখ মেললেই দেখা মিলবে  সবুজের। মন চাইলে সকালে বা বিকালে ধোঁয়া ঊঠা এক কাপ চা হাতে ডুব দেয়া যাবে প্রকৃতির মাঝে। আর মেঘেদের খেলার মাঠ নীল আকাশটাতো রয়েছে দুই হাত বাড়িয়ে।

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট