চট্টগ্রাম সোমবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২২

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ | ৬:০৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘তোরে চেয়ারম্যানিতে কে দাঁড়াইতে বলছে’

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে ফেরার পথে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ‌‘সন্ত্রাসীদের’ হাতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার কেরানীহাটস্থ একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন লাঞ্চিত চেয়ারম্যানপ্রার্থী আবদুল মাবুদ সেন্টু। তিনি উপজেলার ৯ নম্বর পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল মাবুদ অভিযোগ করে বলেন, একই ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহের জিন্নাহর নির্দেশে তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা এই হামলা চালায়। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলা নির্বাচন অফিসের ১০০ গজের মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার চেয়ারম্যানপ্রার্থী আবদুল মাবুদ সেন্টু বলেন, মনোনয়নপত্রের বৈধতা নিয়ে দুপুরে রিটার্নিং অফিসারের রুম থেকে বের হয়ে বাড়ি যাচ্ছিলাম। এ সময় নির্বাচন অফিসের ১০০ গজের মধ্যে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যানপ্রার্থী আবু তাহের জিন্নাহর লোক শাহরিয়ার রোমন ও ইমনের নেতৃত্বে ১০/১২ জন সন্ত্রাসী আমাকে বলে, তোরে চেয়ারম্যানিতে কে দাঁড়াইতে বলেছে? এই কথা বলে তারা আমাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এছাড়া প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করার হুমকিও দেয়। ঘটনাস্থলের কিছু দূরে থাকা থানার এএসআই জিহাদ আলীসহ কিছু লোকজন আমার চিৎকারে এগিয়ে আসে। পরে জিহাদ আলী সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে দিলেও তারা আমার মানিব্যাগে থাকা ২০ হাজার টাকা, ট্রেড লাইসেন্স ও আইডিকার্ড নিয়ে যায়। পরে পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে আমার সঙ্গীরা আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে আমি নির্বাচন কর্মকর্তা, ইউএনও ও থানায় অভিযোগ দায়ের করবো।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শাহরিয়ার রোমন বলেন, তারা আসলে আমাদের বদনাম রটিয়ে রাজনীতির মাঠে আসতে চাচ্ছে। আমরা চেয়ারম্যানকে নিয়ে যখন ফিরে আসছিলাম তখন এ রকম একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা শুনি। ওরা নিজেরা করে আমাদের বদনাম রটাচ্ছে।

নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যানপ্রার্থী আবু তাহের জিন্নাহ বলেন, ‘আমার ব্যাপারে এমন অভিযোগ সত্য নয়। আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। ব্যক্তিগতভাবে এ রকম কর্মকাণ্ড আমি সাপোর্টও করি না।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতকানিয়া থানার এএসআই জিহাদ আলী বলেন, পশ্চিম ঢেমশার চেয়ারম্যানপ্রার্থী আবদুল মাবুদ সেন্টুর মোবাইল ফোনটি একদল অপরিচিত যুবক কেড়ে নেয়। পরে তাদের বলে মোবাইলটি সেন্টু সাহেবকে ফেরত দিই।

পূর্বকোণ/পিআর/এএইচ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 1018 People

সম্পর্কিত পোস্ট