চট্টগ্রাম বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯

১৭ জুলাই, ২০১৯ | ২:০৮ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

টোল আদায়ের বিপক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়

আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার বিপক্ষে মতামত দিয়ে গণপূর্তের সচিবকে চিঠি

আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে টোল আদায়ের বিপক্ষে মতামত দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালকে। গত সোমবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব গণপূর্তের সচিবের কাছে এই চিঠি প্রদান করেন।
জানতে চাইলে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পূর্বকোণকে বলেন, ফ্লাইওভারে টোল আদায় না করার পক্ষে মতামত দিয়ে আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে মতামত জানিয়েছিলাম। টোল আদায় না করেই ফ্লাইওভারটির রক্ষণাবেক্ষণ করার সক্ষমতা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আছে। আমাদের দেয়া মতামত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অনুমোদন করে স্থানীয় সরকার সচিব বিষয়টি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। এখন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয় এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে মুরাদপুর, ২নং গেট ও জিইসি জংশনে ফ্লাইওভার নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মুরাদপুর হতে লালখান বাজার পর্যন্ত ৬.২ কিলোমিটার আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে টোল আদায়ের বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের মতামত চাওয়া হয়। ওই চিঠির জবাবে চসিকের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা সামসুদ্দোহা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে টোল আদায় প্রসঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন ইতিমধ্যে দৈনিক পত্রিকায় বিবৃতি প্রদানের মাধ্যমে টোল আদায়ে জনমনে নেতিবাচত প্রভাবের কথা উল্লেখ করে এর বিরোধিতা করে আসছেন। সিডিএ’র পত্র পাওয়ার পর তিনি নিজেও মহানগরীর বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন উল্লেখ করে বলেন, তাদের কেউ টোল আদায়কে সমর্থন করেনি। বরং এর ফলে সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে সবাই এর বিরোধিতা করেছেন। তাছাড়া যেহেতু প্রকল্পটির অনুমোদিত ডিপিপিতে টোল আদায় বিষয়ে কোনকিছু উল্লেখ নেই। তাই চসিকও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মতামতের সাথে একমত পোষণ করে আলোচ্য ফ্লাইওভারে টোল আদায় করা সমীচীন হবে না বলে মত ব্যক্ত করছে। তবে ফ্লাইওভার ও ফ্লাইওভারের নিচের সৌন্দর্যবর্ধন কাজ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করলে টোল আদায় না করেই যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ভার বহন করতে সিটি কর্পোরেশন সক্ষম হবে। এতে মেয়রেরও সম্মতি রয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

The Post Viewed By: 168 People

সম্পর্কিত পোস্ট