চট্টগ্রাম সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১

সর্বশেষ:

১৫ জুলাই, ২০১৯ | ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মদ আলী

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে আনুষ্ঠানিক চুক্তি

আজ ওয়াসার ভা-ালজুড়ি প্রকল্পের বৃহত্তর পরিসরে কাজ শুরু

ভা-ালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তাইইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। আজ সোমবার সকালে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। প্রায় দুই হাজার ১২৬ কোটি টাকার এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শেষ হলে ওয়াসার পানি উৎপাদন বাড়বে দৈনিক আরো ৬ কোটি লিটার। যা সরবরাহ হবে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে। এর আগে গত ১৯ জুলাই সচিবালয়ে ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। দক্ষিণ কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
এ প্রসঙ্গে ভা-ালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প পরিচালক ও ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহম্মদ মাহবুবুল আলম দৈনিক পূর্বকোণকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম ওয়াসার ভা-ালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্পে নির্মাণ কাজ পেয়েছে তাইইয়ং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড। রবিবার প্রকল্পের ঠিকাদার সংস্থার সাথে চট্টগ্রাম ওয়াসার আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর হবে। চুক্তির পর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করবে।’
মুহম্মদ মাহবুবুল আলম বলেন, ‘কর্ণফুলী নদীর ওপারে বোয়ালখালীতে ভা-ালজুড়ি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প ১ ও ২ এবং শেখ রাসেল পানি সরবরাহ প্রকল্পের পর ওয়াসা নতুন এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ‘ভা-ালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প’ নামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর ওয়াসার পানি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে দৈনিক আরো ৬ কোটি লিটার। দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী ও বোয়ালখালী উপজেলায় পানি সরবরাহ করতে চট্টগ্রাম ওয়াসা এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।’
চট্টগ্রাম ওয়াসা সূত্র জানায়, কর্ণফুলীর নদীর বাম তীরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, সরকারি ও বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান, কোরিয়ান ইপিজেডসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পানি সরবরাহের জন্য এই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা গ্রামের ভা-ালজুড়ি খালের পাড়ে এই প্রকল্পের পানি শোধনাগার তৈরি করা হবে। সেখান থেকে কর্ণফুলী নদীর বাম তীরে অবস্থিত শিল্পকারখানা ও আবাসিক এলাকায় পানি সরবরাহ করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে যে পানি উৎপাদিত হবে, তার ৭৫ ভাগ সরবরাহ হবে শিল্পাঞ্চলে। অবশিষ্ট ২৫ ভাগ বরাদ্দ হবে আবাসিক গ্রাহকদের। ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। পানি শোধনাগার নির্মাণস্থানের জন্য ভূমির অনুমোদনও মিলেছে। প্রকল্পের আওতায় ৬ কোটি লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন একটি পানি শোধনাগার, প্রায় ১৩৩ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন, কনভয়েন্স ও ডিস্ট্রিবিউশন পাইপলাইন এবং কোরিয়ান ইপিজেডে ও পটিয়ায় ২টি পানির রিজার্ভার নির্মাণ করা হবে।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 446 People

সম্পর্কিত পোস্ট