চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২১

সর্বশেষ:

১৬ অক্টোবর, ২০২১ | ১:৫৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সার্ভিস লেনের পরিকল্পনা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

পৃথক সার্ভিস লেনসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক উন্নয়নের জন্য নতুন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। যদিও মহাসড়কটি ইতোমধ্যে চার লেনে উন্নীত হয়েছে। তবে উভয়পাশে ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ না হওয়ায় প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে নির্মাণের উদ্যোগ বাতিল হচ্ছে। ফলে মহাসড়কটির উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ করাসহ সড়ক প্রশস্ত করা হলে মূল মহাসড়কে যানবাহনের উচ্চগতির কারণে বর্তমান সময়ের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম সময়ে যাতায়াত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কটিতে নিরাপদে যাতায়াত করা সম্ভব হবে বলেও মনে করেন তারা।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় পিপিপি পদ্ধতিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। পরে ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর এক্সপ্রেসওয়েটির তিনটি এলাইনমেন্টের ওপর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনও উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সমান্তরালে এটগ্রেড ও এলিভেটেড সমন্বয়ে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের সম্মতি দেন। চার লেন বিশিষ্ট এই মহাসড়কে এটগ্রেড ও এলিভেটেড সমন্বয়ে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ‘টেকনিক্যাল এসিস্ট্যান্স ফর ডিটেইলড স্ট্যাডি এন্ড ডিজাইন অব ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে অন পিপিপি বেসিস’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিশদ সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন কাজের উদ্যোগও নেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট নিয়োগকৃত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মাল্টিক্রাইটেরিয়া এনলাইসিস পদ্ধতিতে তিনটি এলাইটমেন্ট ও পাঁচটি অপশনের ভিত্তিতে সমীক্ষা শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। সমীক্ষা পরিচালনায় ও বিশদ নকশা প্রণয়নে ইতোমধ্যে ৯৭ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যয়ও হয়েছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় মহাসড়কগুলো পর্যায়ক্রমে চার লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি মহাসড়কের উভয়পাশে ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ করার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়। যদিও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হলেও উভয় পাশের ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ করা হয়নি। এরমধ্যেই সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ হওয়ায় এক্সেপ্রেসওয়ে নির্মাণ না করায় সড়ক  পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এ সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে।

এরমধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কার্যক্রম বাতিল, বিদ্যমান চার লেন বিশিষ্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক প্রশস্তকরণ, মহাসড়কের উভয় পাশে পৃথক সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রশস্ত করাসহ উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণের জন্য বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। 

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন
  • 15.2K
    Shares
The Post Viewed By: 3019 People

সম্পর্কিত পোস্ট