চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২১

সর্বশেষ:

১৪ অক্টোবর, ২০২১ | ৯:৪২ অপরাহ্ণ

মো. দেলোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ

সাম্প্রতিক বর্ষণে বিপর্যস্ত গাছবাড়ীয়া-ধোপাছড়ি যোগাযোগ ব্যবস্থা

বৃষ্টির পানি প্রবাহে সড়ক ভেঙ্গে খানখান

উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ধোপাছড়ির সাথে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের ৮ মাসের মধ্যেই বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হয়ে সড়কটি ভেঙ্গে খানখান হয়ে গেছে। চলাচল করতে পারছে না যানবাহন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেবল চলাচল করছে মোটরবাইক।

গত বছর ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় দিবসে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গাছবাড়িয়া থেকে ধোপাছড়ির সাথে সড়ক যোগাযোগ উন্মুক্ত হয়। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সড়কটি উদ্বোধন করার পাশাপাশি ধোপাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের ৮ মাসের মাথায় সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টির পানি সড়ক দিয়ে চলাচল করার কারণে সড়কের মাটি সরে যায়। এতে জব্বার মেম্বারের বাড়ি থেকে খুনি বটতল পর্যন্ত ৪ কি.মি সড়কটি কাঁচা থাকার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ সড়ক দিয়ে বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে কেবল মোটর বাইক চলাচল করছে। এলাকার লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোটরবাইকে করে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে জরুরি প্রয়োজনে যাচ্ছে ধোপাছড়িতে।

ঐ এলাকার মানুষ ব্যতীত অন্য এলাকার মানুষ মোটরবাইকে যাতায়াত করতে ভয় পাবে। এমনিতে পাহাড়ের বিশাল উঁচু-নিচু, ঢালু পথ অতিক্রম করতে সমতল অঞ্চলের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তার পাশাপাশি সড়কটির ছোট ছোট আল হয়ে পড়া অংশ দিয়ে মোটরবাইকে জীবন হারানোর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল আলীম বলেছেন, সড়কটি ধোপাছড়িবাসীর জন্য উন্মুক্ত হওয়ায় সড়কপথে গাছবাড়িয়ার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছিল। উন্নয়নের মাইলফলক হিসেবে এটি ছিল স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরীর একটি মডেল প্রকল্প। কিন্তু পাহাড়ি সড়কের উপর দিয়ে সাম্প্রতিক বৃষ্টির পানির ঢলে সড়কটি ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। দুই ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করতে জরুরিভাবে বরাদ্দ দিয়ে সড়কটি মেরামতের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

পূর্বকোণ/সাফা/পারভেজ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 279 People

সম্পর্কিত পোস্ট