চট্টগ্রাম শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

সর্বশেষ:

১৪ জুন, ২০২১ | ৬:৫৯ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

বিকাশে ফাঁদ পেতে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ২  

বিকাশ লেনদেনে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সিএমপি মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগ।

তারা হলেন- মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার দারিয়াপুর ইউনিয়নের গোয়ালদাহ এলাকার শিশির কুমার বালার ছেলে মিঠুন কুমার বালা (২৬) ও একই থানার নাকোল ইউনিয়নের রায়নগর এলাকার মৃত আলীম মোল্লার ছেলে হামিদুল মোল্লা (২২)।

শনিবার (১২ জুন) মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার গোয়ালদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিঠুন কুমার বালাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমতে চক্রের অন্য সদস্য হামিদুল মোল্লাকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।   

আজ সোমবার (১৪ জুন) সিএমপি মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মাদ সালাম কবির এ তথ্য জানান।  

তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের দোকানের টাকা লেনদেনের হিসাব বই ভিডিও করে প্রতারক চক্রের সদস্যরা। কোনো ব্যক্তি বিকাশে টাকা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে টাকার পরিমাণ, প্রেরক ও প্রাপকের মোবাইল নম্বর ভিডিও করে নিয়ে দ্রুত চক্রের অন্য সদস্যের হোয়াটসএপে পাঠিয়ে দেয় তারা।

গ্রাহকের কাছে ফোন করে তথ্য হালনাগাদ, প্রলোভন ও  অসুবিধার  কথা বলে পিন, সিকিউরিটি বা ভেরিফিকেশন কোড নিয়ে নেয় তারা।   

মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এপকে কেন্দ্র করে প্রতারণার নানা পদ্ধতি বের করেছে তারা। এরপর গ্রাহকের একাউন্টে থাকা সব টাকা নিজেদের একাউন্টে স্থানান্তর করছে প্রতারকরা। সেই টাকাগুলো দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্যাশ করে তারা।

জানা গেছে, প্রতিদিনই মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। প্রতারকরা এমনভাবে ফাঁদ পাতে যে, গ্রাহক কিছু বুঝে ওঠার আগেই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। অনেক সময় ‘এসএমএস’ দিয়ে ব্যালেন্স যোগ হওয়াসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে সরাসরি টাকা চাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ‘হেল্পলাইন’ থেকে ফোন করে একাউন্ট হালনাগাদ, নতুন অফার চালুসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহককে দিয়ে কয়েকটি ‘বাটন’ চাপিয়ে কৌশলে টাকা স্থানান্তর করে নেওয়া হচ্ছে অন্য একাউন্টে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শাহ মো. আব্দুর রউফ জানান, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। কিন্তু টাকার পরিমাণ অল্প হলে পুলিশের কাছে মানুষ অভিযোগ করে না। বর্তমানে নানাভাবে প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ বাড়ছে। প্রতিনিয়ত এসব প্রতারকদের আইনের আওতায় নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে দোকানের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের খাতার কেউ যাতে ভিডিও বা ছবি তুলতে না পারে সেদিকে দোকানিদের নজর ও গ্রাহককে সতর্ক হতে হবে।

পূর্বকোণ/পিআর/পারভেজ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 221 People

সম্পর্কিত পোস্ট