চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ | ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নৌকার প্রার্থী খোকা আবারও চন্দনাইশের মেয়র নির্বাচিত

চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মত আ’লীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী মাহাবুবুল আলম খোকা- ১৫,৯৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপি সমর্থিত ছাতা প্রতীকের প্রার্থী আইনুল কবির পেয়েছেন ১৯১৬ ভোট।

 

১ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে শিরিন আকতার আনারস প্রতীক নিয়ে-৩৫৬৯, ২ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কহিনুর আকতার চশমা প্রতীক নিয়ে-১৭১৯, ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে হাছনারা বেগম আনারস প্রতীক নিয়ে-২৯৩৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০২ সালে চন্দনাইশ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে চন্দনাইশ সদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চন্দনাইশ আইডিয়াল স্কুলে প্রথমবারের মত নৌকা প্রতীকে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে।

 

সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে মো. শাহেদুল ইসলাম ডালিম প্রতীক নিয়ে ৯১৪, ২নং ওয়ার্ডে মো. নুরুল ইসলাম টেবিল ল্যাম্প প্রতীক নিয়ে -৯০৮, ৩নং ওয়ার্ডে মো. হেলাল উদ্দীন চৌধুরী পাঞ্জাবী প্রতীক নিয়ে -৮৩৫, ৪ নং ওয়ার্ডে মো. মাসুদুর রহমান উটপাখি প্রতীক নিয়ে-৮০৮, ৫ নং ওয়ার্ডে মো. শাহ আলম টেবিল ল্যাম্প প্রতীক নিয়ে-৭৭৬, ৬নং ওয়ার্ডে মোরশেদুল আলম ডালিম প্রতীক নিয়ে-১০৪৫, ৭নং ওয়ার্ডে মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী টেবিল ল্যাম্প প্রতীক নিয়ে ৯৪২, ৮ নং ওয়ার্ডে মো. আবু তৈয়ব ডালিম প্রতীক নিয়ে-১৪২৮, ৯নং ওয়ার্ডে মো. লোকমান হাকিম গাজর প্রতীক নিয়ে ৯২০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

চন্দনাইশ পৌরসভায় ১৫ হাজার ১’শ ৯৯ জন পুরুষ, ১৩ হাজার ৭’শ ৯৮ জন মহিলাসহ ২৮ হাজার ৯’শ ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে ২০ হাজার ৮৯২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তৎমধ্যে ২ হাজার ৪৩৬ ভোট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ১৮ হাজার ৩৫৬ ভোট বৈধ হিসেবে গণনা করা হয়। ৭২ শতাংশ ভোট প্রদান করেছেন ভোটররা।

 

এবারের নির্বাচনে মেয়র খোকা দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচিত হলেও সংরক্ষিত ৩ নবীন মহিলাই প্রবীনদেরকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন। তাছাড়া সাধারণ কাউন্সিলরদের মধ্যে ১, ৪, ৬, ৯ নং ওয়ার্ডে ৪ জন নবীন ৫ জন প্রবীন গতবারের ৫ জন কাউন্সিলরকে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

 

নির্বাচনের ফলাফল প্রস্তুত হলেও রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন রাত ৯ টায় মৌখিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করার সময় ৯ নং ওয়ার্ডের বিজয়ীর নাম ভুল প্রচার করার কারণে হৈ চৈ ও গন্ডগোল সৃষ্টি হয়। পরে তিনি ফলাফল সিটে স্বাক্ষর না করে আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি ফলাফল সিটে স্বাক্ষর করার কথা বলে চলে যান। এতে বিজয়ী প্রার্থী ও প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সংবাদ কর্মীদেও পোহাতে হয় দুর্ভোগ।

পূর্বকোণ/মামুন

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 352 People

সম্পর্কিত পোস্ট