চট্টগ্রাম শনিবার, ০৬ মার্চ, ২০২১

সর্বশেষ:

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ | ৩:২৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ বছরে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে দ্বিগুণ

একদিকে বাড়ছে মানুষ। অন্যদিকে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে সরকারও সক্রিয়। দুইয়ে মিলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলে ১১ বছরে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। এখন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়া এ অঞ্চলের অধিভুক্ত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের প্রায় সব উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে পিডিবি চট্টগ্রামের অধীনে গ্রাহক ছিলেন ৫ লাখ ১৪ হাজার ৩২১। সেখানে ১১ বছরের মাথায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসে গ্রাহক দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৩৭ জন। গ্রাহক বাড়ায় স্বাভাবকিভাবে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬৩০ মেগাওয়েট; সেখানে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৩১৭ মেগাওয়েট।

বিদ্যুতের চাহিদার বাড়ার পরিসংখ্যান: 
২০০৯-১০ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিদ্যুতের চাহিদার কথা তো আগেই বলা হলো। বাকি অর্থবছরগুলোতে কেমন ছিল বিদ্যুতের চাহিদা তা দেখা যাক: ২০১০-১১ অর্থবছরে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬৯০, ১১-১২ অর্থবছরে ৬৯৬, ১২-১৩ অর্থবছরে ৭২৪, ১৩-১৪ অর্থবছরে ৭৬৮, ১৪-১৫ অর্থবছরে ৮০২, ১৫-১৬ অর্থবছরে ৮৪৯, ১৬-১৭ অর্থবছরে ১ হাজার ১৫০, ১৭-১৮ অর্থবছরৈ ১ হাজার ১৬০ এবং ১৮-১৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়েট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল। ২০০৯-১০ অর্থবছরে বিতরণ দক্ষিণাঞ্চলে ৩৩, ১১ ও ০ দশমিক ৪ কেভির লাইনের পরিমাণ ছিল মাত্র ৭ হাজার ৩৬৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার সেখানে ১১ বছর পর ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসে তা দাঁড়ায় ১২ হাজার ৬৫ দশমিক ২৫ কিলোমিটার। ২০০৯-১০ অর্থবছরে যেখানে বিতরণ ট্রান্সফরমার ছিল ৩ হাজার ২২২টি সেখানে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ট্রান্সফরমার হয়েছে ৭ হাজার ১৭৭টি। অবিদ্যুতায়িত এলাকায় ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিতরণ দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. শামসুল আলম। তিনি পূর্বকোণকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এ লক্ষ্যে নানা প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে’।

পূর্বকোণ / আরআর

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 193 People

সম্পর্কিত পোস্ট