চট্টগ্রাম রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২

সর্বশেষ:

২৮ এপ্রিল, ২০১৯ | ২:৫৯ পূর্বাহ্ণ

রমজানের আগেই ঈদেরহাওয়া টেরিবাজারে

রমজান শুরুর আগেই জমজমাট টেরিবাজার। প্রতিটি দোকানে ক্রেতার ভিড়। তুলনামূলক মহিলা ক্রেতার সংখ্যাই অধিক। রোজা রেখে তীব্র দাবদাহে ঘুরাঘুরি থেকে বাঁচতে অনেক ক্রেতা সেরে নিচ্ছেন ঈদের কেনাকাটা। গতকাল নগরীর টেরিবাজার ঘুরে দেখা যায় এ দৃশ্য। এখানে মেগা মার্ট, পরশমনি, আজমীর শপিং সেন্টার, মনে রেখ, রাজ কুমারী, মাসুম ক্লথ স্টোর, লীলাবালি, আলপনা প্লাস, খাজানা, রাজস্থান শপিং মল ও সানা ফ্যাশন ঈদ উপলক্ষে নিয়ে এসেছে নতুন সব রেডিমেট পোশাক ও থান কাপড়। ঈদ উপলক্ষে তরুণদের পোশাকে এনেছে নতুনত্ব। শপিংমলগুলোতে উঠেছে বিপুল থান কাপড়। তার মধ্যে নেটের কাজ করা বিভিন্ন ডিজাইনের থান কাপড়, টিস্যুর উপর কাজ করা কাপড়, মকমল, ভ্যালবেট, নেটের উপর জরির কাজ করা কাপড়, তশর কাতান, গুজরাটি, কটন, অরগেঞ্জা ও চিকেন কাপড়ের চাহিদা বেশি। টেরিবাজার পরশমনির স্বত্বাধিকারী আলহাজ মো. ইসমাইল বলেন, সামনেই ঈদ আর এখন থেকেই দোকানে ক্রেতাদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। যারা সেলাই কাপড় পড়তে পছন্দ করে তারা এখনই কেনাকাটা শুরু করেছেন। কারণ কাপড় সেলাই করার জন্য সময় লাগবে। তাই ক্যাটালগ দেখে ডিজাইনাবল থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা এখনি কিনে নিচ্ছেন অনেকে। ক্রেতাদের ক্যাটালগের থ্রি-পিস ও লেহেঙ্গা প্রতি আগ্রহ বেশি। বিশেষ করে কারিশমা, জারা শাহনাজ, সাদিয়া, রাঙ্গরেজ, সুবিয়া নাজির, বিনয়, হানসা, বিপুল, জুবেদা, হামিরা, আনজারা, বানারেসা ও লাভলি নামের থ্রি-পিস ও লেহেঙ্গা বেশি বিক্রি হচ্ছে। এখানে সাড়ে চার‘শ টাকা থেকে বার হাজার টাকা পর্যন্ত থ্রি-পিস পাওয়া যায়। টেরিবাজার আজমীর শপিং সেন্টারের স্বত্বাধিকারী আলহাজ লায়ন

মোস্তাক আহমেদ বলেন, ঈদ উপলক্ষে নানা রকম থান কাপড় ও থ্রি-পিস আসছে। নতুন ডিজাইনের থান কাপড়ের চাহিদা বরাবরই মেয়েদের একটু বেশি। তাদের কথা মাথায় রেখে আমি নতুন বিদেশি থান কাপড় তুলেছি। পাশাপাশি ছেলেদের পাঞ্জাবির কালেকশনও আছে। তবে মেয়েদের কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে। পরশমনি থেকে ঈদের কেনাকাটা করতে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ এসেছেন শাহাদত খান। তিনি বলেন রমজানের আগেই ঈদের কেনাকাটা করে নিচ্ছি। কারণ ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে কাপড়ের দাম তত বাড়বে। আর কয়েক দিন পরে দর্জিরা কাপড় নিতে চাইবে না। শপিং করতে আসে নাসরিন ও পলি নামের দু’বোন। তারা বলেন, ঈদের জন্য ইন্ডিয়ান থান কাপড় কিনতে এসেছি। নিজেদের পছন্দমত ডিজাইন করে সেলাই করবো। তাই এখনি কিনতে এসেছি। রোজা রেখে ও ভিড়ের মধ্যে শপিং করতে ভালো লাগবে না।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নানের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী টেরিবাজারে ছোট-বড় মিলে প্রায় দুই হাজার দোকান আছে। বর্তমানে এসব দোকান ও সম্পূর্ণ এলাকা সি সি ক্যামেরার আওতাধীন। ঈদ উপলেক্ষ প্রশাসনও সর্বাত্বক সহযোগিতা করতে পাশে থাকবে। ক্রেতাদের সুবিধার্থে আমরা বিকাশ, রকেট, ছাড়াও ক্রেডিট, ডেবিট কার্ডে থাকছে ছাড়, ক্যাশব্যাক অফারসহ পেমেন্টের সুযোগ দিচ্ছি। এছাড়াও ক্রেতাদের জন্য কুপনের মাধ্যমে লটারির ব্যবস্থা করেছি। এতে দামি দামি পুরস্কারের ব্যবস্থাও আছে।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত পোস্ট