চট্টগ্রাম সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১

সর্বশেষ:

৪ জুন, ২০১৯ | ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশ র‌্যাব কোস্টগার্ড পরিচয়ে চাঁদাবাজি, চক্র গ্রেপ্তার

নগরীর কর্ণফুলী ফিশ মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সদস্যদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিকাশের মাধ্যমে চাঁদার টাকা আদায় করে আসছিল একটি চক্র। কখনো পুলিশের সোর্স, কখনো ডিবি পুলিশ, কখনো র‌্যাব এবং কোস্ট গার্ডের পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করে এ চক্রটি। চাঁদা না দিলে গাড়ি আটক রাখাসহ বিভিন্ন কৌশলে ব্যবসায়ীদের হয়রানি এবং ট্রাক ড্রাইভারকে গুলি করে হত্যা করারও হুমকি দিতো তারা। তবুও চাঁদা না পেলে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত সড়ক পথে বিভিন্ন স্থানে মাছের গাড়ি ডিবি পুলিশ, থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ কিংবা কোস্ট গার্ড পরিচয়ে তল্লাশির নামে ঘণ্টা পর ঘণ্টা আটকে রাখতো তারা। যেহেতু মাছ পচনশীল তাই চাঁদাবাজদের চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা প্রদান করতে বাধ্য হতো ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের অতিষ্ঠকারী এ চাঁদাবাজ চক্রের ৩ সদস্যকে আজ মঙ্গলবার দুুপর ১২টার দিকে বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিন।

গ্রেপ্তার হওয়া চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা হল, চট্টগ্রামের সদরঘাট থানাধীন মৃত মুনাম উদ্দিনের ছেলে মো. হান্নান (৪২), একই থানাধীন মো. খালেকের পুত্র সোহাগ (২৮) ও  কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থানাধীন মো. আবুল বশরের ছেলে খোরশেদ আলম (৩৬)।

ওসি মো. নেজাম উদ্দিন পূর্বকোণকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীদের কাছে পুলিশ, র‌্যাব ও কোস্টগার্ড পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছিল একটি চক্র। চক্রটি যে নম্বর ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে আসছিলো সে বিকাশ একাউন্টটি ব্লক হয়ে যায়। আর এই বিকাশ একাউন্টটি সচল করতে থানায় জিডি করতে আসে চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা। এ সময় পুলিশ তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদেরকে কর্ণফুলী ফিশ মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের শ্রমিক দাবি করে। কিন্তু তাদের অসংলগ্ন কথা-বার্তায় পুলিশের সন্দেহ হয়।  পুলিশকে তারা ভুয়া পরিচয় দিয়েছে বলে জানায় কর্ণফুলী ফিশ মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক। পরে চক্রটি আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করে নেয় তারা বলে জানান ওসি।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 198 People

মন্তব্য দিন :

সম্পর্কিত পোস্ট