চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সর্বশেষ:

২৬ জানুয়ারি, ২০২০ | ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

শাহ আমানত সোসাইটি নিজেরাই বদলে দিচ্ছে নিজ এলাকা

১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড

পশ্চিম বাকলিয়ার শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটির ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয় নিজস্ব জনবল দিয়ে। সিটি করপোরশন নিয়মিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না করায় সোসাইটি নিজস্ব অর্থায়নে পরিচ্ছন্নতার এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ কে এম আরিফুল ইসলাম ডিউক জানান, ‘আমরা শুধু ঝাড়–দার দিয়ে তাদের সহায়তা করি। ডাস্টবিন বসানো ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ সমিতি নিজ উদ্যোগে করছে। সমিতি এগিয়ে আসায় আমাদের লোকজন অন্য এলাকা ভালোভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।’ শাহ আমানত সোসাইটি ছাড়াও ল্যান্ডমার্ক সোসাইটিও একইভাবে কাজ করছে।

স্থানীয়রা জানায়, সিটি কর্পোরেশনের সেবকরা ওই এলাকায় না যাওয়ায় সোসাইটির পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নকর্মীরা নিয়মিতভাবে এলাকার সড়ক ও অলিগলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন। সমিতির লোকজন কাজ তদারকি করায় রাস্তাঘাট ও অলিগলিতে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকে না। সমিতি ভবন মালিকদের কাজ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

শাহ আমানত সোসাইটিতে ১১৬টি ভবন ছাড়াও একাধিক কলোনি রয়েছে। প্রায় ২৫ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে এই সোসাইটিতে। প্রতিদিন চার জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়মিত কাজ করেন।

শাহ আমানত হাউজিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আনিস ওয়ারেচী বলেন, ‘মহল্লা কমিটির উদ্যোগে নিজস্ব পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োগ দিয়ে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হচ্ছে। সড়ক থেকে অলিগলি পর্যন্ত পরিচ্ছন্ন থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল হুদা বলেন, মহল্লা কমিটির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সোসাইটি এলাকা সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে।

ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ থাকে না। ল্যা- মার্ক সোসাইটির সভাপতি আলহাজ আব্দুল জলিল চৌধুরী বলেন, শাহ আমানত সোসাইটির মতো আমরাও আমাদের মহল্লায় একইভাবে নিজস্ব লোকবল দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছি। সকলের সঙ্গে পরামর্শ করে তা চালু করা হবে।

The Post Viewed By: 157 People

সম্পর্কিত পোস্ট