চট্টগ্রাম বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১

সর্বশেষ:

২৭ ডিসেম্বর, ২০২০ | ১:০৬ অপরাহ্ণ

মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন 

চসিক নির্বাচন: ভোটের ‘স্বাদ’ পাবেন নতুন ভোটাররাও

ফাহিম আহমেদ। চকবাজার এলাকার নতুন ভোটার। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার ভোটের স্বাদ পাচ্ছেন তিনি। নির্বাচন পেছানোর সুযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। শুধু ফাহিম নন, ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন ভোটাররা এবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে ভোটপ্রদান নিয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন এই বেসরকারি চাকরিজীবী।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জান গতকাল পূর্বকোণকে বলেন, ‘নতুন ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন। ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ভোটাররা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।’

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২৯ মার্চ ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। করোনা সংক্রমণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হওয়ায় ভোটের স্বাদ পাচ্ছেন অন্তত ২০ হাজার নতুন ভোটার। তবে যাচাই-বাছাই শেষে ভোটার তালিকা ঘোষণা করা হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশন।

গত ২ মার্চ হালানাগাদ শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি। চূড়ান্ত তালিকা মতে, চসিক নির্বাচনে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। তফসিল ঘোষণার সময় ভোটার ছিল ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৫২ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার নয় লাখ ৯৮ হাজার ৭২৩ জন। নারী ভোটার নয় লাখ ৫২ হাজার ৩২৯ জন। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনের চেয়ে ভোটার বেড়েছিল এক লাখ ৩৭ হাজার ৬০৩ জন।  চকবাজার এলাকার ভোটার বেসরকারি চাকরিজীবী মরিয়ম জাহান বলেন, ‘২০১৮ সালে নতুন ভোটার হয়েছি। জাতীয় নির্বাচনে ভোটের স্বাদ নেওয়ার কথা ছিল। এ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনেই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সাহস পাইনি। ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ ছিল শঙ্কা আর আতঙ্কের।’

নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ভোটার তালিকা সংশোধনের সিডি ইতিমধ্যেই নির্বাচন কার্যালয়ের পৌঁছেছে। এখন যাছাই-বাছাই করা হচ্ছে। কারণ এরই মধ্যে অনেকেই মারা গেছেন। কেউবা চাকরি বা অন্য কারণে বিভিন্ন জেলায় ভোটার স্থানান্তর করেছেন। এসব ভোটার তালিকা থেকে তাদের বাদ দেওয়া হবে।

চান্দগাঁও এলাকার নতুন ভোটার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভোটপ্রদানের চেয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্ব অত্যধিক। এখানে ভোটকেন্দ্রে যাই আর না যাই-এটা বড় কথা নয়। কারণ এখন ভোটকেন্দ্রের সুস্থ পরিবেশ থাকে না।’

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ সিটি করপোরশেরন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৭ জানুয়ারি পুরোনো তফসিলে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ তারিখ ঘোষণা করেছে ইসি।

৭৩৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবেন ভোটাররা। ভোটকক্ষ চার হাজার ৮৮৬টি। সব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হবে। ভোটার সংখ্যা রদবদল হলেও ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ ঠিক থাকছে বলে জানায় নির্বাচন কার্যালয় সূত্র।

পূর্বকোণ/এএ

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 188 People

মন্তব্য দিন :