চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০৬ আগস্ট, ২০২০

সর্বশেষ:

সিজেকেএস নির্বাচনে নতুন মোড় নিজেকে সরিয়ে নিলেন হাফিজ

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব ক্রীড়া প্রতিবেদক

আজ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের দিন

সিজেকেএস নির্বাচনে নতুন মোড় নিজেকে সরিয়ে নিলেন হাফিজ

নতুন মোড়ের দিকে এগুচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা (সিজেকেএস)-র নির্বাচন। গতকাল এ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত মো. হাফিজুর রহমান মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করলে নতুন মোড়ের দিকে এগুনোর আভাস পাওয়া গেছে সিজেকেএস নির্বাচনে। তিনি সিজেকেএস নির্বাচন কমিশনার বরাবরে চিঠি দিয়েছেন। তবে, তপশীল অনুসারে আজ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের অফিসিয়াল ডে হলেও, তিনি একদিন আগে সেটা সম্পন্ন করেন। এদিকে আজ মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারে দিনে কোষাধ্যক্ষ পদে শাহাবুদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর এবং রাশেদুল আলমের মধ্যে যে কোন একজন এবং নির্বাহী সদস্য পদে ১৪ জনের মধ্যে যে কোন একজন প্রত্যাহার করে নিলে আর কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। কিন্তু মো. হাফিজুর রহমানের ব্যাপারটা যদি সত্য হয়। তাহলে এ পদে আবার নতুন করে তপসীল ঘোষনা করতে হবে। আগের দিনই মো. হাফিজুর রহমানের এ ব্যাপারে একটু শোনা গিয়েছিলো। গতকাল পুরোপুরিভাবে বিষয়টি সকলের নজরে আসলো। বলা চলে, গতকাল স্টেডিয়াম পাড়ার টক অব দ্য টাউন ছিল হাফিজুর রহমানের প্রত্যাহারের বিষয়টি। এ ব্যাপারে তিনি ‘সিজেকেএস নির্বাচন সম্পর্কে খোলা চিঠি’ নামে ৩ পৃষ্টার একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ এবং সকলের উদ্দেশ্যে বিতরণ করেন। মো. হাফিজুর রহমান এবারের সিজেকেএস নির্বাচনে ৩টি পদ সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন না হওয়ায় সমঝোতায় তিনি সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক পদে আ জ ম নাছির নির্বাচন করবেন, তাই তিনি সরে দাড়িয়েছেন বলে তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছিলেন, আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন এবং বাকী সব পদে নির্বাচন দেওয়া হোক। বাকি সব পদে নির্বাচন না হলে যারা বাদ পড়বেন তারা চিৎকার করবেন। কিন্তু তার কথা সে দিনের সভায় গৃহীত হয়নি। এরপর সমঝোতার নির্বাচনে, নির্বাচনী কার্যক্রম আ জ ম নাছির উদ্দিনের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে মো. হাফিজুর রহমানকে তাঁর সাথে রাখার প্রস্তাব করা হয়। তবে তিনি থাকতে রাজী হননি। পরবর্তীতে সকলে উনার সাথে সহযোগিতা করার জন্য থাকার অনুরোধ করলে তিনি পি.এস. (প্রাইভেট সেক্রেটারী) হিসেবে শুধুমাত্র দালিলিকভাবে সহযোগিতা করার শর্তে সম্মতি দেন। অত:পর সভার সিদ্ধান্তের আলোকে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদে ২২টি মনোনয়নপত্র পূরণ করে পে-অর্ডার সহ তিনি ও আ জ ম নাছির উদ্দীন যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনারের নিকট দাখিল করেন।

মনোনয়নপত্র সমূহ দাখিল করার পর সকলে যখন জানতে পারেন, তখন থেকেই এ নিয়ে গতবারের ন্যায় এবারও আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।

কেউ কেউ বলেন ‘আমাকে কেন রাখা হয়নি’ অথবা ‘আমাকে কেন ঐ পদে দেওয়া হল না’ ইত্যাদিসহ আরও অনেক কথা এবং ব্যক্তিগত আক্রমন শুরু হয়। এতেই তিনি এ হয়তো এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, আমার প্রস্তাব হলো- যে মনোনয়নপত্র গুলো জমা দেওয়া হয়েছে স্ব স্ব মনোনয়নপত্র গুলো আজ বিকাল-৫ টার মধ্যে প্রত্যাহারের যে সময়সীমা রয়েছে সে সময়সীমার মধ্যে প্রত্যাহার অথবা উক্ত তারিখের পর সবাইকে পদত্যাগ করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানান এবং এ বিষয়ে আ.জ.ম. নাছির উদ্দীনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। আগামীতে আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিন্দ্বন্ধীতায় নির্বাচিত হবেন এবং অন্যান্য সকল পদে নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হলে কারো কোন কথা থাকবে না। আমি সে নির্বাচনে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচন করব ইনশাআল্লাহ।

The Post Viewed By: 119 People

সম্পর্কিত পোস্ট