চট্টগ্রাম রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

৩০ এপ্রিল, ২০১৯ | ১:২৫ পূর্বাহ্ণ

বড় সংগ্রহের কৌশল শেখাচ্ছেন ম্যাকেঞ্জি

খেলা হবে ইংল্যান্ডে। যেখানে রানের ফুলঝুরি ছুটবে বলেই আশা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপে তাই হয়তো হরহামেশাই তিনশোর্ধ্ব স্কোর হবে। কিন্তু এই জায়গাটায় তো বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে। বেশিরভাগ সময়ই তিনশো পার হতে পারে না টাইগাররা। ম্যাচ জেতায় আসল অবদানটা থাকে বোলারদেরই। এই সমস্যা সমাধানের জন্য শিষ্যদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন দলের দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি। বড় শট না নিয়ে নিজেদের সামর্থ্যরে সবটুকু ব্যবহার করে কিভাবে সাড়ে তিনশো করা যায়, সেই চিন্তাই তার। গত চার বছরে বাংলাদেশ ওয়ানডেতে তিনশোর্ধ্ব পুঁজি গড়েছে মাত্র ৬ বার। একই সময়ে পরে ব্যাটিংয়ে নেমে আড়াইশর বেশি রান তাড়ায় ১৪ বারের মধ্যে জিতেছে মাত্র ৪ বার। বোঝাই যাচ্ছে, বড় স্কোর গড়ার মানসিকতাটা এখনও সেভাবে গড়ে উঠেনি টাইগারদের। অথচ ভারত বা ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো নিয়মিতই সাড়ে তিনশো রান করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে খেলা বের করে নিচ্ছে। বাংলাদেশের বড় স্কোর গড়তে না পারার পেছনে বড় একটা কারণ হলো, ৬ আর ৭ নাম্বারে বিগ হিটার না থাকা। মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকরা অনেক ম্যাচেই স্লগ ওভারে অবদান রাখলেও বিশেষজ্ঞ বিগ হিটার ব্যাটসম্যান এখনও সেভাবে খুঁজে পায়নি টাইগাররা। ম্যাকেঞ্জি মনে করছেন, বিগ হিটারের চিন্তায় হা হুতাশ না করে নিজেদের সামর্থ্যরে বুদ্ধিভিত্তিক প্রয়োগ করেও সাফল্য পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বড় ছক্কায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না। তবে আমরা তাদের চেয়ে স্কিল হিটিংয়ে ভালো করতে পারব। কভারে খেলে দুই নেয়া, কভারের উপর দিয়ে চার হাঁকানো, সোজা হিট করে খেলতে হবে। মুশির মতো ব্যাটসম্যানরা পেসকে খুব ভালো কাজে লাগাতে পারবে। আমাদের দলে গুণসম্পন্ন আরও খেলোয়াড় আছে। বড় হিট করে প্রতি ওভারে আট নেয়ার দরকার নেই আমাদের। আমরা গ্যাপে হিট করে রান নিতে পারি।’ সৌম্য সরকার, লিটন দাস, সাব্বির রহমানরা ভালো হিট করতে জানেন। তবে তাদের প্রত্যেকেরই সমস্যা হলো ধারাবাহিকতায়। কিন্তু ধারাবাহিকতার কথা চিন্তা করতে গিয়ে তারা নিজেদের সহজাত মারকুটে ব্যাটিংটা ছেড়ে দিক, এমনটাও চান না ম্যাকেঞ্জি। বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ বলেন, ‘তারা দেখিয়েছে কি করার ক্ষমতা রাখে। তাদের ব্যাটিং করতে দেখা খুবই আনন্দের। আমার মনে হয়, যখন তারা ব্যাটিং করে ভয়ডর মাথায় রাখে না। এভাবেই তারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। আমি আশা করব, তারা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলবে, বাংলাদেশ দলকে এভাবেই উপরে নিয়ে আসবে।’ তরুণ বলেই এসব খেলোয়াড় মাঝেমধ্যে ভুল করে বসেন বলে মনে করছেন ম্যাকেঞ্জি। তাই বলে তাদের উপর চাপ দেয়া ঠিক হবে না বলছেন তিনি, ‘তারা তরুণ, ভুল করবেই। তবে ভুল থেকে শেখাটাই আসল। বারবার যেন একই ভুল না হয়। আমরা চাই তারা নিজেদের গেম প্ল্যানে যেন আস্থা রাখে, নিজেদের শট খেলে, যদি সেটা পারে তবে আমাদের বেশি কিছু করতে হয় না। কিন্তু যদি চাপ নিয়ে নেয়, অন্য শট খেলে আউট হয়ে যায়, তবে ম্যাচের পর ওই অবস্থা নিয়ে আমরা কথা বলি।’ -ইন্টারনেট

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 284 People

সম্পর্কিত পোস্ট