চট্টগ্রাম সোমবার, ২৫ মে, ২০২০

মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন শক্তির আত্মপ্রকাশ, দ্বন্দ্ব, লড়াই ও নিষ্পত্তি

৫ এপ্রিল, ২০২০ | ১:০৬ পূর্বাহ্ণ

নাওজিশ মাহমুদ

মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন শক্তির আত্মপ্রকাশ, দ্বন্দ্ব, লড়াই ও নিষ্পত্তি

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

মন্ত্রীসভার সদস্য কামারুজ্জামান ও চিফ হুইপ ইউসুফ আলীর নেতৃত্বে উত্তরবঙ্গের জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের একটি গ্রুপ তাজউদ্দীনের পতন ঘটলে যাতে নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীত্ব তাঁদের হাতে থাকে তার জন্য গোপনে সংগঠিত হয়। পিকিংপন্থী রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে তাঁদের গোপন আঁতাঁত গড়ে উঠে। দেবেন সিকদারের সভাপতিত্বে কলকাতায় বামদের সমন্বয় কমিটির সভায় কামারুজ্জামান-ইউসুফ আলী গ্রুপের পক্ষে কাজ করার যে কোন শর্ত মেনে নেবার অঙ্গিকার করা হয়। চিনাপন্থী এই গ্রুপ তাজউদ্দীনের বদলে কেন কামারুজ্জামানের প্রতি তাঁদের সমর্থন ঘোষণা করলো তা রহস্যজনক।
আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের নেতৃত্বে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ফরিদুপরে একটি অংশের ৪০জন জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য প্রকাশ্যে তাজউদ্দীনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করে। জোনাল প্রশাসনিক কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার আদেশ প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়। জাতীয় পরিষদ সদস্য এনায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে এই গ্রুপের পরবর্তী সভায় তাজউদ্দীনকে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অপসারণের দাবী জানানো হয়।
আগরতলায় জনশ্রুতি ছিল জহুর আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শেখ মনির সহযোগিতায় নতুন মন্ত্রীসভা গঠিত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক। সূচনাতেই চার যুবনেতাকে মুক্তিযোদ্ধাদের রিক্রুট করার ক্ষমতা মন্ত্রীসভা দিলেও সশস্ত্র সংগঠন করার ক্ষমতা দেয়া হয়নি। তাজউদ্দীনের বিরোধীতা সত্ত্বেও সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় শেখ মনি, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক এবং তোফায়েল আহমদের নেতৃত্বে ছাত্র ও যুবকদের সশস্ত্র সংগঠন বিএলএফ গড়ে তোলার ক্ষমতা প্রদান করেন। তবে বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূূত এই সংগঠনের পক্ষে বা বিরুদ্ধে সৈয়দ নজরুল কখনও মুখ খুলেন নি। ফলে তাজউদ্দীনের সাথে সৈয়দ নজরুলের এক ধরনের ঠা-া লড়াই চলতে থাকে। তবে তাজউদ্দীনের কোন কাজে বাধাও দেননি। সৈয়দ নজরুলের ছেলে সৈয়দ আশরাফ বিএলএফ এর সাথে সংযুক্ত থাকায় তিনি বিএলএফএর বিরুদ্ধে নিরবতা পালন করেন। ইন্ধিরা গান্ধীর সাথে সাক্ষাতে তাজউদ্দীন বিএলএফ এর ব্যাপারে অভিযোগ করার পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সত্ত্বেও এই বিষয়টির ফায়সালা হয়নি।
তাজউদ্দীন দলের অভ্যন্তরে বিরোধী গ্রুপের সাথে দলের বাইরে পিকিংপন্থীদের সমঝোতার প্রতিক্রিয়ায় সিপিবি ও মোজাফ্ফর ন্যাপের দিকে সহেযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তাঁদের প্রশিক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেন। ভাসানীপন্থী কাজী জাফর-মেননদের গ্রুপকেও প্রশিক্ষণের বাধা অপসারণ করেন। ভাসানীর নেতৃত্বে জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি করে তাজউদ্দীন নিজেকে সকলের গ্রহণযোগ্য করে তোলেন। প্রবাসী সরকারও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠে। আওয়ামী লীগের দক্ষিণপন্থী গ্রুপ এই উপদেষ্টা গঠনের সরাসরি বিরোধতিা করতে থাকে। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদে মাওলানা ভাসানী চেয়ারম্যান তাজউদ্দিন আহবায়ক হলেও সদস্য হিসেবে খন্দকার মোশতাক ঠিকই জায়গা করে নেন। তাজউদ্দীন সোভিয়েত ইউনিয়নের দিকেও সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত করেন।
দলের অভ্যন্তরে ও ভারতের প্রশাসনে দক্ষিণপন্থীদের আক্রমণ ঠেকাতে সমর্থ হন। তাজউদ্দীনের এই উদ্যোগে ভারতের সাথে সোভিয়েতের মৈত্রীচুক্তি স্বাক্ষর করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন কার্যকর ভূমিকা পালন করে। সোভিয়েতের সাথে মৈত্রী চুক্তির ফলে তাজউদ্দীনের অবস্থান সুদৃঢ় হয়ে উঠে। পাকিস্তান ও ভারতের যুদ্ধে এই মৈত্রীচুক্তি এবং জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়।
তাজউদ্দীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর খন্দকার মোশতাকের লবি সচেষ্ট হয়ে উঠে যে কোন পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। কুমিল্লার কাজী জহিরুল কাইউম সরাসরি কলকাতায় যুক্তরাষ্ট্রের মিশনে দেখা করে বলে আসেন, যদি বঙ্গবন্ধু ফেরত না আসেন তাহলে বাংলাদেশ বামদের হাতে চলে যাবে। কলকাতাস্থ মিশন এক সপ্তাহ পরে দেখা করতে বলেন। আশ্বস্ত করা হয় বঙ্গবন্ধুকে বাঁচিয়ে রাখা হবে। ঘটনাটি যদিও তাজউদ্দীন জানতেন। তবু তাজউদ্দীন মনে করতেন শুধুমাত্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুকে ফেরত আনা যাবে। নতুবা স্বাধীনতাও যাবে, বঙ্গবন্ধুকেও হারাতে হবে। তাজউদ্দীন ছাড়াও অন্য যে কেউ প্রধানমন্ত্রী হলে বঙ্গবন্ধুকে ফেরত আনা কষ্ট হতো। অন্য কেউ প্রধানমন্ত্রী হলে তাজউদ্দীনের তুলনায় সহজে বিদেশী শক্তির ষড়যন্ত্রে মোকাবিলা করতে সক্ষম হতেন কীনা সন্দেহ আছে। কারণ সহজে বিদেশী শক্তির খপ্পরে পড়তেন। একটু নমনীয়তা প্রদর্শন করলে বঙ্গবন্ধুর জীবন রক্ষা কঠিন হয়ে পড়তো। স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর মুক্তি এই দুটি অনিশ্চিত হয়ে পড়তো।
বামপন্থী তাজউদ্দীন যাতে কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশে ক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করতে না পারেন, তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অপরিহার্য ছিল বঙ্গবন্ধুর মুক্তি। বঙ্গবন্ধু সরকারের ফেরত আসার পূর্ব পর্যন্ত আচরণে, প্রজ্ঞায়, স্বকীয়তায় এবং আত্মমর্যাদায় তাজউদ্দীনকে কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারেন নি। তাইতো ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুর সাথে প্রথমে সিরাজুল আলম খান ও পরে তাজউদ্দীনকে বিচ্ছিন্ন করে। তারপর বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। তাজউদ্দীন বঙ্গবন্ধুর সাথে বিচ্ছিন্ন হয়েও বাঁচতে পারেন নি। সিরাজুল আলম খানের বেঁচে থাকাটাও বিস্ময়কর।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরী কিসিঞ্জার যদিও পাকিস্তান ভারতে যুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপের পক্ষে ছিলেন কিন্তু মার্কিন জনগণ এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা সায় দেয়নি। তাই নিক্সন হস্তক্ষেপের ব্যাপারে ছিলেন দ্বিধাগ্রস্ত।
অপর দিকে ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বরে চিনের অভ্যন্তরে মাও সে তুং এর উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লিন পিয়াও এর সাথে চৌ এন লাইয়ের দ্বন্দ্বে চিনে অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এতে লিনপিয়াও সপরিবারে নিহত হয়। এই দ্বন্দ্বে চিনা সেনাবাহিনী জড়িত থাকায় খোদ সেনাবাহিনীতে শুদ্ধি অভিযানও পরিচালিত হয়। তাই চিনের পক্ষে যুদ্ধে জড়িত হওয়া সম্ভব ছিল না। সীমান্তে সোভিয়েত ইউনিয়নের সৈন্য সমাবেশ ও যুদ্ধ থেকে বিরত থাকতে গুরত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখে। লিন পিয়াও এর ক্ষমতাচ্যুতি এবং নিহত হওয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ চিন যেমন বিরত ছিল, তেমনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপেরও বিরোধীতা করে। ফলে বিশ^ যেমন একটি বড় যুদ্ধ থেকে রেহায় পায়, তেমনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্জনের বাধাও অপসারিত হয়।
ছাত্রনেতা নুরে আলম সিদ্দ্কিী, শাহজাহন সিরাজ, আ শ ম আব্দুর রব ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন এই চারজনের মধ্যে বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীেেত আ শ ম রব ও আব্দুল কুদ্দুস যতটুকু সক্রিয় ছিলেন সে রকম সক্রিয় ছাত্রলীগের সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকী বা সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ ছিলেন বলে মনে হয় না। ছাত্রলীগের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের জন্য হয়তো তাঁদেরকে বিএলএফ এ সংযুক্ত করা হয়নি। তাঁরা বিএলএফ রিক্রুটের ব্যাপারে কোন বাধা দিয়েছেন এমন কোন তথ্যও জানা নেই। অথচ ছাত্রলীগের অধিকাংশ জেলা নেতা বিএলএফর সাথে সংযুক্ত ছিলেন। আবার কেউ এফএফও সংযুক্ত হন। আ শ ম রব ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন দু’জনই আগরতলায় শেখ মনির প্রধান সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে আ শ ম রব ছিলেন সিরাজপন্থী, অপরদিকে আব্দুল কুদ্দুস মাখন ছিলেন মনিপন্থী। তবে স্বাধীনতাযুদ্ধে ছত্রেলীগের ভূমিকা খুব একটা দৃশ্যমান হয়নি। যদিও বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীতে অংশগ্রহণের প্রাথমিক যোগ্যতা ছিল ছাত্রলীগের সদস্য হতে হবে।
প্রবাসী সরকারের সাথে লিঁয়াজো করার জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রথমে পিএন হাকসার দায়িত্বে ছিলেন। পরে ডি পি ধর এই দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র শক্তিসমূহের মধ্যে যাতে দ্বিধাবিভক্ত না হয় ডি পি ধর চেষ্টা করেন মুজিব বাহিনীকে প্রবাসী সরকারের অধীনে নিয়ে আসার জন্য।
মুজিব বাহিনীকে বাংলাদেশ সরকারের অধীনে আনার জন্য ইন্ধিরা গান্ধীর নির্দেশে ডিপি ধরের উদ্যোগে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে তাজউদ্দীন ও ওসমানী, মুজিব বাহিনীর পক্ষে সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রজ্জাক ও তোফায়েল আহমদ এবং ভারতের সামরিক বাহিনীর পক্ষে মেজর জেনারেল বি এন সরকার ও ব্রিগেডিয়ার উজ্জ্বল গুপ্ত উপস্থিত থাকলেও শেখ মনি অনুপস্থিত থাকেন। ফলে আলোচনার অগ্রগতি হয়নি। এর পরে আরো দুটি বৈঠকের চেষ্টা করা হলেও তা আর সম্ভব হয়নি। তবে মুজিব বাহিনীকে প্রবাসী সরকারের বিরুদ্ধে যে কোন তৎপরতা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী সরকারের কর্তৃত্বাধীন সেনাবাহিনী ও তার সাথে সম্পৃক্ত মুক্তিবাহিনী, মুজিব বাহিনী এবং ভারতে আশ্রয়গ্রহণকারী মস্কোপন্থী ও চিনাপন্থীদের একটি অংশ ছাড়া বিরাটসংখ্যক চিনাপন্থী মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধ করে। তারা উপরে বর্ণিত বাহিনী ও পাকিস্তান সেনাবাহিনী, এই দুইয়ের বিরুদ্ধে তাঁদের যুদ্ধনীতি পরিচালিত হয়। এর মধ্যে পাকিস্তানের সাথে সহযোগিতার অভিযোগও কারো কারো বিরুদ্ধে ছিল। রাজশাহী বিভাগ ও খুলনা বিভাগে তাঁদের তৎপরতা যেমন ছিল, তেমনি কিছু কিছু অঞ্চলে তাঁদের আধিপত্যও ছিল। সেই সাথে ছিল কিছু শক্তিশালি পকেট। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর সাথে তাঁদের দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষ হলেও তাঁদের শক্তি প্রায় অটুট থাকে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর বিভক্ত মুজিব বাহিনী নিয়ে গড়ে উঠা রক্ষিবাহিনীর সাথে যেমন তাঁদের সংঘর্ষ হয়, তেমনি মুজিবাহিনী থেকে গড়ে উঠা জাসদ ও গণবাহিনীর সাথেও তাঁদের সংঘাত ও সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় রক্ষীবাহিনী ও সেনাবাহিনীর হাতে চিনাপন্থী বাহিনী ও জাসদের গণবাহিনী নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। নির্মমভাবে তাঁরা দমননীতির শিকার হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় যে সকল দ্বন্দ্ব ও শক্তি আত্মপ্রকাশ করেছিল তা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও চলতে থাকে। তবে ভিন্নভাবে ভিন্ন আঙ্গিকে। এই সকল শক্তির নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাতে নিজেদের শক্তি ক্ষয় করে ফেলে। পরে এই সকল দ্বন্দ্ব ও সংঘাত নিষ্পত্তি হয় তৃতীয় শক্তি উত্থানের মাধ্যমে। আর তা হলো মার্কিন সমর্থনপুষ্ট পাকিস্তানি ধারা। যা ছিল মূলত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীশক্তি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে তারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেয়। (সমাপ্ত)

The Post Viewed By: 79 People

সম্পর্কিত পোস্ট