চট্টগ্রাম বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনা পাইলটের ভুলে: তদন্ত প্রতিবেদন

৯ জানুয়ারি, ২০২০ | ১১:০২ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

মিয়ানমারে বিমান দুর্ঘটনা পাইলটের ভুলে: তদন্ত প্রতিবেদন

মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে পাইলটের ভুলে। মিয়ানমার এয়ারক্রাফট ইনভিস্টিগেশন ব্র্যাঞ্চের তদন্ত প্রতিবেদনে একথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিমান অবতরণের সময় পাইলট যথাযথ নিয়ম অনুসরন করেননি। এই সময় বিমানের গতিও ছিল অনিয়ন্ত্রিত। প্রতিকূল আবহাওয়ার ভেতরেই অবতরণের সময় বিমান চালনার দায়িত্বে ছিলেন কো-পাইলট। এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিজস্ব তদন্তেও পাইলটের ভুলের বিষয়টি উঠে এসেছে। বিমানের নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে দুই পাইলটকেই সাময়িক বরখাস্ত করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ৮ মে ঢাকা থেকে বিমানের ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ বিমানটি ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে বাইরে চলে যায়। বিমানটিতে ১ শিশুসহ ২৯ জন যাত্রী, ২জন পাইলট, ২ জন কেবিন ক্রু ও ২ জন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। দুর্ঘটনায় ৩৪ জন আহত হন। ওই ফ্লাইটের পাইলট ছিলেন নজরুল ইসলাম শামীম ও কো-পাইলট ছিলেন আনোয়ার পারভেজ আকাশ। ড্যাশ-৮ বিমানটি ৭৪ জন আরোহী বহনে সক্ষম। পরবর্তী সময়ে তারা চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন। পাইলট নজরুল ইসলাম শামীম গুরুতর আহত হওয়ায় দেশে ফিরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসা নেন। অন্যদিকে, ওই ফ্লাইটের কেবিন ক্রু ফারজানা গাজী অভ্রও গুরুতর আহত হন। গত ১০ মে তাকে মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার পর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়ায় ১২ মে অস্ত্রোপচার করা হয়।

ঘটনা তদন্তে বিমানও একটি কমিটি গঠন করে। বিমানের চিফ অব ফ্লাইট সেফটি শোয়েব চৌধুরীকে প্রধান করে ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনে পাইলটদের ভুলকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে ফ্লাইটের পাইলট ও কো-পাইলটকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও দায়ের করা হয়।

 

পূর্বকোণ/ এস

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 256 People

সম্পর্কিত পোস্ট