চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

৮ মে, ২০১৯ | ৫:৫২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

৫ শতাধিক ট্রেনযাত্রীর জীবন বাঁচল কিশোরের বুদ্ধিমত্তায়

স্কুলছাত্র আবুল হোসেনের (১৪) বুদ্ধিমত্তায় রক্ষা পেয়েছে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস। সেইসাথে রক্ষা পেলেন ট্রেনটির পাঁচ শতাধিক যাত্রীও।

মঙ্গলবার (৭ মে) রাতে দ্বিখণ্ডিত রেললাইনের পাতটি দেখতে পেয়ে আবুল হোসেন গ্রামবাসীর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের নজরে আনেন। পরে ট্রেনটি পথে থামিয়ে দেয়া হয়।

আবুল হোসেন ওই উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের ঈদগাহ টিলা এলাকার বাসিন্দা ও কমলগঞ্জের কামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

এলাকাবাসী জানান, রাতে বাড়ি ফেরার সময় টর্চলাইটের আলোয় আবুল হোসেন দেখতে পায় ঈদগাহ টিলা এলাকায় রেললাইনের একটি পাত ভেঙে দ্বিখণ্ডিত হয়ে আছে। এ অবস্থায় ট্রেন চলাচল করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে সে গ্রামবাসীকে বিষয়টি জানায়। পরে গ্রামের লোকজন শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ফারুক আহমদকে জানালে তিনি শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার ও রেলওয়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানান।

তাৎক্ষণিক সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি শমশেরনগর স্টেশনে আটকে দেয়া হয়। এরপর দ্রুত ভাঙা রেলপাত সরিয়ে নতুন একটি পাত প্রতিস্থাপন করা হয়।

শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ জানান, রাত ১০টা ৫০ মিনিটে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস সেখানে পৌঁছার কথা ছিল। স্থানীয় ফারুক মেম্বার ফোন করে এ খবর দিলে আমি শ্রীমঙ্গলে রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগকে বিষয়টি জানাই। পরে ভাঙা রেলপাত সরিয়ে নতুন একটি পাত স্থাপন করা হয়। এতে আধা ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।’

তিনি বলেন, স্কুলছাত্র আবুল হোসেনের বুদ্ধিমত্তায় মেম্বার ফারুক এ খবর পেয়েছেন বলে আমি জানতে পারি। তার এ ভূমিকা প্রশংসনীয়। মূলত ওই স্কুলছাত্রের সচেতনতার জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীদের রক্ষা করতে পেরেছি আমরা।

 

 

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 408 People

সম্পর্কিত পোস্ট