চট্টগ্রাম বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০

মাছে রাসায়নিক মেশালেই ৭ বছর জেল

৭ নভেম্বর, ২০২০ | ৭:০৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মুজিববর্ষ উপলক্ষে রবিবার বসছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন

জাতীয় সংসদের ‘বিশেষ অধিবেশন’ বসছে আগামীকাল রবিবার (৮ নভেম্বর)। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে চলতি একাদশ সংসদের দশম এ অধিবেশন শুরু হবে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টায়।

এটি বিশেষ অধিবেশন হলেও প্রথম কার্যদিবস চলবে সাধারণ অধিবেশনের মত। পরদিন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্মারক বক্তৃতার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিশেষ অধিবেশনের কার্যক্রম। রাষ্ট্রপতির বক্তৃতার আগে ভাষণ সংসদ কক্ষে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দেখানো হবে।

এ অধিবেশনের কার্যক্রম করোনা মহামারিকালের আগের তিনটি অধিবেশনের মতো এবারও সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে। গত ২১ অক্টোবর সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) নম্বর দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ অধিবেশন আহ্বান করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী সাড়ম্বরে উদযাপনে এ বছরকে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করে নানা কর্মসূচি নিয়েছিল সরকার। তার অংশ হিসেবে গত ৯ জানুয়ারি সংসদের কার্যোপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই বিশেষ অধিবেশন করার সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোন ‘বিশেষ অধিবেশন’।

বিশেষ এই অধিবেশনটি ২২-২৩ মার্চ হওয়ার কথা ছিল। অধিবেশনের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ভাষণ দেবেন। এরপর বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন নিয়ে একটি প্রস্তাব পাস হবে। সেখানে প্রতিবেশী দেশগুলোর স্পিকারদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা থাকলেও তখন তা স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু বিশ্বের অন্য সব দেশের মত বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকলে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান কাটছাঁট করা হয়, সংসদের বিশেষ অধিবেশনও স্থগিত হয়ে যায়।

এদিকে, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ৯ নভেম্বর বিশেষ অধিবেশনে সংসদ কক্ষে দেশীয় বিভিন্ন অতিথিকে আমন্ত্রণ জানাতে না পারছেন বলে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেছেন। বিভিন্ন জনের কাছে পাঠানো কার্ডে স্পিকার বলেছেন, “বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিজনিত কারণে বিশেষ অধিবেশন স্বশরীরে প্রত্যক্ষ করার জন্য সংসদ ভবনে আপনাকে আমন্ত্রণ জানাতে অপরাগ হওয়ায় আন্তরিকভাবে দুঃখিত।” কার্ডে স্পিকার সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার থেকে অধিবেশন দেখার আহ্বান জানান।

এর আগে ১৯৭৪ সালের ৩১ জানুয়ারি ও ১৮ জুন সংসদে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে যুগোস্লাভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটো ও ভারতের রাষ্ট্রপতি বরাহগিরি ভেঙ্কটগিরি ভাষণ দিয়েছিলেন।

 

 

 

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 70 People

সম্পর্কিত পোস্ট