চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

বক্তব্য প্রত্যাহার-ক্ষমা চাইতে অধ্যাপক জিয়াউর রহমানকে লিগ্যাল নেটিশ

২২ অক্টোবর, ২০২০ | ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বক্তব্য প্রত্যাহার-ক্ষমা চাইতে অধ্যাপক জিয়াউর রহমানকে লিগ্যাল নেটিশ

“আসসালামু আলাইকুম” ও “আল্লাহ হাফেজ” মুসলিমদের শুদ্ধ উচ্চারণকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক জিয়াউর রহমানকে তার দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নেটিশ পাঠিয়েছেন মুহম্মদ মাহবুব আলম।

নোটিশে টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ধর্ম অবমাননাকর ও বেআইনি বক্তব্য নোটিশ পাওয়ার দুই দিনের মধ্যে প্রত্যাহার না করলে ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট দণ্ডবিধি (পেনালকোড) অনুযায়ী মামলা করা হবে বলেও জানানো হয়। মুহম্মদ মাহবুব আলমের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ শেখ ওমর শরীফ আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমানকে নোটিশটি পঠিয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট শেখ মুহম্মদ ওমর শরীফ বলেন, ঢাবি শিক্ষক জিয়াউর রহমান সম্প্রতি বেসরকারি টিভি চ্যানেল ডিবিসি নিউজ’র “উপসংহার” নামক টক শো-তে “ধর্মের অপব্যাখ্যায় জঙ্গিবাদ” বিষয়ক আলোচনায় মুসলিমদের শুদ্ধ উচ্চারণে “আসসালামু আলাইকুম” বলা ও “আল্লাহ হাফেজ” বলাকে গর্হিত, নিন্দনীয়, জঘন্য ব্যাখ্যা করে এসবকে জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে। “সালাম” আদান-প্রদান সহীহভাবে করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত। পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীস শরীফে সালাম আদান-প্রদানের জন্য বহুবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও মহানবী হুজুর পাক (সা.) উনাদের প্রদত্ত নির্দেশ ও শিক্ষা অনুযায়ী শুদ্ধভাবে “সালাম” দেয়াকে জিয়াউর রহমান অত্যন্ত গর্হিত, নিন্দনীয়, বেয়াদবিপূর্ণ ও জঘন্যভাবে জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত করেছে। এসব মন্তব্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুসলিমদের শুদ্ধভাবে ধর্মীয় ইবাদাত পালনের মৌলিক অধিকারকে খর্ব করতে চেয়েছেন। এই ধরনের মন্তব্য ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক। মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আপনার মন্তব্যসমূহ আঘাত করেছে।

নোটিশে আরো বলা হয়, জিয়াউর রহমান “ডিবিসি নিউজ” টেলিভিশন চ্যানেলের “উপসংহার ” নামক টক শো-তে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রদান করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অপরাধ করেছেন।

 

 

 

 

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 174 People

সম্পর্কিত পোস্ট