চট্টগ্রাম সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপ‌থে সব ধরনের ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট ঘাট কর্তৃপক্ষ। এ নৌপথে একমাত্র চালু থাকা পদ্মাসেতু চ্যানেলটিতেও সকালে নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় তারা। এ রুটে আজ আর ফেরি চলাচল চালু না হওয়ারও শঙ্কা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ।

শিমুলিয়া ঘাটের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহমেদ জানান, নাব্য সংকটে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এ নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সকাল ৬টার দিকে কলমিলতা ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে ছেড়ে গিয়েছিল। তবে পথিমধ্যে চ্যানেলের নাব্য সংকট হওয়ায় আবার ঘাটে ফিরে আসে।

বর্তমানে প্রায় চার শতাধিক গাড়ি পারের অপেক্ষায় আছে শিমুলিয়া ঘাটে। এদিকে, শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রাতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয় এ ঘাটে।

এর আগে, শনিবার (২৯ আগস্ট) থেকে তীব্র স্রোত ও পদ্মা সেতুর কাজের নিরাপত্তাজনিত কারণে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়। ফলে শনিবার থেকে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানেই চলছিল ফেরি পারাপার। তীব্র স্রোত, নাব্য সংকট ও বৃষ্টিতে দিনের ১২ ঘণ্টার সময়কালেও স্বাভাবিক নিয়মে ফেরি চালানো যায়নি।

পদ্মা নদীতে নাব্য সঙ্কটের কারণে গত ৫ দিন ধরে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে। এ নৌপথে একমাত্র চালু থাকা পদ্মাসেতু চ্যানেলটিতেও নাব্য সঙ্কট দেখা দেওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে মাইকিং করে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে রাতে শিমুলিয়া-কাঠাঁলবাড়ি ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজটের। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে গিয়ে এ চিত্র দেখা দেখা গিয়েছে।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৫ দিন ধরে রাতের পর রাত শিমুলিয়া-কাঠাঁলবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে দেখা দিয়েছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এতে জরুরি যানবাহন, অ্যাম্বুলেস পরিবহন, ছোট যানবাহন পারাপার অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে জমে যাচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাঁচা সবজিবাহী ছোট ট্রাকও। অতিরিক্ত যানবাহনে দুই টার্মিনাল ও ঘাট ভরে যাওয়ার সেখান থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে উথুলী সংযোগ মোড় থেকে আরিচা থানা পযর্ন্ত ৪ কি. মি. এলাকা জুড়ে সারি বদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। 

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 113 People

সম্পর্কিত পোস্ট