চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সি আর দত্তকে শেষ বিদায়

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার বং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্তের (বীর উত্তম) প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।   

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল তাঁর মরদেহ ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়। এরপর ১০টা ১০মিনিটে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে উপস্থিত রয়েছেন বীর উত্তম সি আর দত্তের তিন মেয়ে, ছেলে, মেয়ের জামাতা ও নাতি-নাতনিরা। 

আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রাজারবাগ মহাশ্মশানে। সেখানে শেষকৃত্যানুষ্ঠান হবে।  

গত ২০ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মেয়ের বাসায় বাথরুমে পড়ে তার পা ভেঙে যায়। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তার শারিরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ আগস্ট বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।

সোমবার তার মরদেহ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে পৌঁছানোর পর রাখা হয় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘরে। মঙ্গলবার সকালে পরিবার ও স্বজনদের শেষ দেখার জন্য কফিন নেওয়া হয় তার বনানী ডিওএইচএসের বাসায়। সেখান থেকে সকাল সোয়া ৮টার দিকে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয় মরদেহ।

সি আর দত্তের জন্ম ১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি আসামের শিলংয়ে। তার পৈতৃক বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি গ্রামে। 

বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ রাইফেলস)-র প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন সি আর দত্ত।

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য চিত্ত রঞ্জন দত্ত বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। এছাড়া ঢাকার কাঁটাবন থেকে কারওয়ান বাজার সিগন্যাল পর্যন্ত সড়কটি ‘বীরউত্তম সি আর দত্ত’ সড়ক নামে নামকরণ করা হয়।

পূর্বকোণ/পিআর

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 135 People

সম্পর্কিত পোস্ট