চট্টগ্রাম সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০

সর্বশেষ:

চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪৮শ কোটি টাকা
চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪৮শ কোটি টাকা

১৬ জুলাই, ২০২০ | ৮:৪৭ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪৮শ কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে সরকার। যা গত অর্থবছরের (২০১৯-২০২০) লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ বিলিয়ন ডলার কম। জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি রপ্তানির এ লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান।

এদিকে সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমেছে ২৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। একইসাথে প্রবৃদ্ধি কমেছে ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৪ বিলিয়ন ডলার। তাই চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কথা বিবেচনা করে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৪৮ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ সময় বাণিজ্য সচিব ড. জাফরউদ্দিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেসরকারিখাত ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, এফবিসিসিআই’র প্রথম সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পোশাকখাত থেকে এবার অতিরিক্ত লক্ষ্যমাত্রার ৬ বিলিয়নই আসবে। অন্যান্যখাত থেকে আসবে বাকি ২ বিলিয়ন। ইনশাআল্লাহ, দেশীয় বাস্তবতা, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সঠিক নীতি অনুসরণ ও সময়ানুগ বাস্তবায়ন পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা ঘোষিত এ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হবো।

তিনি বলেন, এবার ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১৯.৭৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে ধার্য করা হয় নতুন লক্ষ্যমাত্রা। এবার পণ্যখাতে ২১.৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে ৪১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় ধার্য করা হয়। পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে সেবা খাতের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ৯.৪৬ শতাংশ ধরে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের। এছাড়া ২২.৮৮ শতাংশ তৈরি পোশাকখাতের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়। এ সময় তিনি রপ্তানি খাতে ধারাবাহিক উন্নতির সুখবরও দেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর শেষে করোনার প্রভাব কমে আসার ফলে ২০২১ সালের মধ্যেই প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরতে সক্ষম হবে বিশ্ব অর্থনীতি। বাংলাদেশ রপ্তানির বড় ক্রেতা ইউরোপ-আমেরিকা বছরের শেষ প্রান্তিকে চাহিদা বাড়তে থাকবে। ফলে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশের রপ্তানিখাতও।

পোশাক খাতে বহুমুখীকরণ হবে দাবি করে মন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বিশ্ব চাহিদা ও সরবরাহ চেইনের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া হিসেবে আগামীতে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাড়বে। দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বিশেষ করে আইটি খাতে বাড়বে। ই-কমার্সের প্রসার ঘটবে এবং দেশের ব্যবসা বাণিজ্যে আইটির ব্যবহার বাড়ার ফলে আমাদের রপ্তানিও বাড়বে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বিদায়ী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রত্যাশিত আয় না হওয়ার কারণ তিনি উল্লেখ করেন, এটা একা বাংলাদেশের সংকট নয়। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বেশ যৌক্তিক কারণেই অর্জিত হয়নি।

 

 

 

পূর্বকোণ/আরপি

The Post Viewed By: 67 People

সম্পর্কিত পোস্ট