চট্টগ্রাম সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

হটস্পটে পরিণত চট্টগ্রাম: করোনার চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট
হটস্পটে পরিণত চট্টগ্রাম: করোনার চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট

১৯ মার্চ, ২০২০ | ২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা অফিস

মহামারী আকার ধারণ করতে পারে করোনা!

বাংলাদেশে প্রথম মৃত্যু

ঢাকার একটি হাসপাতালে গতকাল করোনায় একজনের মুত্যুর পর প্রাণঘাতী এই ভাইরাস অচিরেই মহামারী আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার করোনাকে মহামারী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করতে বলেছে হাইকোর্ট। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে পরিস্থিতি বুঝে কিছু কিছু এলাকা শাটডাউন করে দেওয়া হতে পারে। এছাড়া প্রয়োজন হলে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।’
একইসঙ্গে বেশি মানুষ কোয়ারেন্টিনে রাখার প্রয়োজন হলে ঢাকার কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালসহ কিছু হাসপাতাল প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানও প্রস্তুত করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের তথ্য, চিকিৎসা সুবিধাসহ সব ধরনের মনিটরিং ব্যবস্থা সহজ ও জোরদার করতে প্রতি বিভাগে করোনা ইউনিট স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এদিকে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গতকাল মারা যাওয়া ব্যাক্তির বয়স ৭০-এর বেশি। তিনি বিদেশফেরত নন, তবে বিদেশ থেকে আসা এক আত্মীয়ের মাধ্যমে তিনি সংক্রমিত হয়েছিলেন। সংক্রমণের পর তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এছাড়া তিনি ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। গতকাল বুধবার দুপুরে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। মারা যাওয়া ওই ব্যক্তি একজন পুরুষ এবং রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। তবে আইইডিসিআর এসব তথ্য প্রকাশ করেনি। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘নতুন করে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ জন। নতুন করে আক্রান্তের মধ্যে একজন নারী ও তিনজন পুরুষ। আক্রান্তদের একজন আগে যারা আক্রান্ত ছিলেন তাদের পরিবারের সদস্য। বাকি তিনজন বিদেশ থেকে এসেছেন। এদের দুইজন ইতালি, একজন কুয়েত থেকে এসেছেন। এখন পর্যন্ত ১৬ জন আইসোলেশনে আছেন। আর ৪২ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন।’
প্রসঙ্গত, প্রথম ইতালি থেকে আসা দুই পুরুষ এবং দেশে থাকা তাদের একজনের এক নারী আত্মীয় করোনায় আক্রান্ত হন। গত ৮ মার্চ এ তথ্য জানায় আইইডিসিআর। তারা তিন জনই চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এরপর গত ১৪ মার্চ জার্মানি ও ইতালি থেকে আসা আরও দুই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 106 People

সম্পর্কিত পোস্ট