চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২০

সর্বশেষ:

করোনায় আরও দুইজন আক্রান্ত

১৮ মার্চ, ২০২০ | ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ

পূর্বকোণ ডেস্ক

করোনায় আরও দুইজন আক্রান্ত

  • উপসর্গ থাকা শ্রমিকদের
    সবেতন ছুটি দিতে হবে
  • হোম কোয়ারেন্টিনে না
    থাকলে জেল-জরিমানা
  • বিদেশ ফেরত ও হাঁচি-কাশি নিয়ে মসজিদে না আসার পরামর্শ

বাংলাদেশে আরও দুইজনের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে; যাদের একজন কোয়ারেন্টিনে ছিলেন, অন্যজন বিদেশফেরত একজনের সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়েছেন। সতর্কতা হিসেবে তৈরি পোশাকের বিদেশি ক্রেতাদের বাংলাদেশ ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে আইইডিসিআর। এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও আইভরিকোস্টের দুই নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বিদেশফেরত, জ্বর-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্তদের মসজিদে যাওয়া ও জনসমাগম পরিহারের পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা গতকাল মঙ্গলবার ব্রিফিংয়ে জানান- আরও দুইজনকে নিয়ে বাংলাদেশে মোট ১০ জনের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ল, যাদের মধ্যে প্রথম দফায় আক্রান্ত তিনজন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন; হাসপাতালে ভর্তি আছেন সাতজন। ফ্লোরা বলেন, নতুন আক্রান্ত দুজনই পুরুষ। তাদের মধ্যে একজন ইতালি থেকে ফেরার পর কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। আরেকজন দেশেই ছিলেন, তবে তার বাড়িতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে একজন এসেছিলেন। ওই প্রবাসীর সংস্পর্শে এসেই আক্রান্ত হয়েছেন দেশে থাকা ওই ব্যক্তি। “সেই প্রবাসীর শরীরে সামান্য জ্বর ছিল, তবে তিনি রিপোর্ট করেননি। তিনি আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন। তার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ হাইকমিশনকে জানানো হবে।” এ মুহূর্তে দেশে ১৬ জন আইসোলেশনে আছেন এবং ৪৩ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টিনে আছেন বলে জানান ডা. ফ্লোরা। তিনি বলেন, “পারিবারিকভাবে সেলফ কোয়ারেন্টিনের বিষয়টি খুব শক্তভাবে পালন করার জন্য আমরা বার বার বলে আসছি। এখন পর্যন্ত রোগটি কমিউনিটি পর্যায়ে ছড়ায়নি। কিন্তু বিদেশে থেকে এসেছেন বা আক্রান্ত হয়েছেন এমন ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে।”
বিদেশ থেকে এসেছেন এবং জ্বর, গলা ব্যাথা অথবা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিয়েছে, কিংবা বিদেশ থেকে আসা কারও সংস্পর্শে এসেছেন- এমন কারও মধ্যে কভিড-১৯ রোগের উপসর্গ দেখা দিলে সরাসরি কোনো হাসপাতালে না গিয়ে আইইডিসিআরের হটলাইনে (০১৯৪৪৩৩৩২২২) ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয় ব্রিফিংয়ে। ইনস্টিটিউটের পরিচালক বলেন, “এক্ষেত্রে আপনারা গণপরিবহনও ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে এম্বু^ুলেন্স দিয়ে আপনাদের নিয়ে আসা হবে। প্রয়োজন হলে আইইডিসিআরের টিম গিয়ে বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে।” তবে হাঁচি, কাশি, সর্দি হলেই করোনাভাইরাস ধরে নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কমিউনিটি ট্রান্সমিশন নেই। অর্থাৎ রোগটি সামাজিকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি।”
বিশ্বজুড়ে নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর গত ৮ মার্চ প্রথম বাংলাদেশে তিনজন এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানায় আইইডিসিআর। ওই তিনজনের মধ্যে দুজন ইতালি থেকে এসেছিলেন। ইতালি ফেরত একজনের পরিবারের সদস্য ছিলেন আক্রান্ত তৃতীয়জন। ওই সময় আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি আরও চারজনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল। এরপর গত ১৪ মার্চ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরও দুজন আক্রান্তের খবর জানান। ওই দুজন ইউরোপের দেশ ইতালি ও জার্মানি থেকে এসেছিলেন। তাদেরই একজনের মাধ্যমে পরিবারের এক নারী ও দুই শিশুর আক্রান্ত হওয়ার খবর আইডিসিআর জানায় সোমবার।
বিদেশি ক্রেতাদের না আসার পরামর্শ আইইডিসিআরের :
বিশ্বব্যাপী নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সতর্কতা হিসেবে তৈরি পোশাকের বিদেশি ক্রেতাদের বাংলাদেশ ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে আইইডিসিআর। গতকাল মঙ্গলবার কভিড-১৯ নিয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সাংবাদিকদের বলেন, তৈরি পোশাক মালিকরা এ পরিস্থিতিতে করণীয় জানতে চেয়েছিলেন। “বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনেক সময় বিদেশী ক্রেতারা আসেন। তারা যেন এই মুহূর্তে না আসেন। এসময় বিদেশি ক্রেতারা এলে তাদের মাধ্যমেও সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। তারা যদি এসেও থাকেন তাহলে যেসব জায়গায় আমাদের অনেক কর্মী একসঙ্গে কাজ করেন সেসব জায়গায় যেন না যান।” তিনি বলেন, শুধু তৈরি পোশাক নয়, যেখানেই জনসমাগম হয় অথবা খুব কাছাকাছি বসে কাজ করতে হয় এসব কর্মস্থলের জন্য তাদের পরামর্শ আগে থেকেই রয়েছে। “গার্মেন্টসগুলোয় যখন কর্মীরা প্রবেশ করে তখন তাদের পরীক্ষা করা হয়। এ অবস্থায় তাদের মধ্যে জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট আছে কি না তা পরীক্ষা করা দরকার। যদি এ ধরনের উপসর্গ থাকে তাদেরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে।” এসব উপসর্গ থাকা শ্রমিকদের সবেতন ছুটি মঞ্জুর করতে কারখানা মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, তাহলে তারা এ প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে। তা নাহলে জীবিকা হারানোর ভয়ে হয়তো তথ্য গোপন করবেন। “সেক্ষেত্রে আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি।” তিনি বলেন, অন্যান্য অফিস বা প্রতিষ্ঠানের সেসব জায়গায় বা বস্তুতে মানুষের হাতের স্পর্শ লাগে, হাঁচি-কাশি দিলে সংক্রমণ হতে পারে। সেসব জায়গা কিছুক্ষণ পর পর পরিষ্কার করতে হবে এবং কিছুক্ষণ পরপর সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ চালু : দেশে নতুন করে দুজনের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটার খবরের মধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ভবনে কভিড-১৯ সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যাত্রা শুরু হল। এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সারা দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন ঠিকঠাক মানা হচ্ছে কি না, সারা দেশে আইসোলেশনে থাকা রোগীদের সবশেষ অবস্থা কেমন- সবকিছু সেখান থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে উপস্থিত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, “যারা সংক্রামকব্যাধি আইন ভায়োলেট করবে, দেশের মানুষকে বিপদে ফেলবে, আরও অনেককে সংক্রমিত করবে, তাদের জরিমানা করা হবে। তা আদায়ও করা হচ্ছে। “যদি তারা বেশি অপরাধ করে, তাদের প্রয়োজনে জেলে দেওয়া হবে। আইনে সে ধরনের কথা বলা হয়েছে।”
সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দিলে বা নির্দেশনা না মানলে সর্বোচ্চ তিন মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকার শাস্তির বিধান রয়েছে। আর মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ মাসের কারাদ- বা ২৫ হাজার টাকা অর্থদ- হতে পারে।
তবে করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, “পরীক্ষার জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় কিটের মজুদ রয়েছে। প্রয়োজনে আমদানি করব। কিটের সংকট হবে না বলে আশা করি।” এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিস্কারের চেষ্টা হচ্ছে। মাত্রই মানবদেহে ট্রায়াল করা হয়েছে। সেটা আমরা দেখছি। কার্যকরী হলে তা পরবর্তীতে দেখেশুনে ব্যবস্থা নেব।”
করোনা চিকিৎসায় প্রস্তুত ১৫০ আইসিইউ : করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য রাজধানীতে ১৫০টি আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। মীরজাদী বলেন, ‘প্রতিদিন এক হাজার নমুনা পরীক্ষা করার সক্ষমতা আমাদের আছে। প্রতিনিয়ত কিট আসছে দাতা সংস্থাগুলো থেকে। আর ১শ রোগী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিদের্শনা অনুসারে আর পরীক্ষা করার প্রয়োজন হবে না।’
শাহজালাল থেকে ২ বিদেশি নাগরিককে ফেরত : করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি এড়াতে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও আইভরিকোস্টের দুই নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে অন-এরাইভাল ভিসায় আগমন বন্ধ থাকলেও এই দুই বিদেশি নাগরিক আগমন করেন এ ভিসায়। ফলে তাদের বিমানবন্দরের অন-এরাইভাল ভিসা না দিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
বিদেশফেরত, হাঁচি-কাশিতে আক্রান্তদের মসজিদে না আসার পরামর্শ : প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ঠেকাতে বিদেশফেরত, জ্বর-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্তদের মসজিদে যাওয়া ও জনসমাগম পরিহারের পরামর্শ দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। গতকাল মঙ্গলবার নতুন করে আরও দুইজনসহ দেশে মোট ১০ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার মধ্যে এ নির্দেশনা দিয়েছে সরকারের সংস্থাটি। ‘এ প্রেক্ষাপটে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিসহ সমগ্র মানবজাতিকে সুরক্ষা, নিরাপদ ও সতর্ক করার লক্ষ্যে বিদেশফেরত ব্যক্তি, করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তি এবং জ্বর-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত ও অসুস্থ ব্যক্তিদের মসজিদে যাওয়াসহ জনসমাগম পরিহারের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হলো।’
চট্টগ্রামে নতুন ২ জনসহ ৩১ জন হোম কোয়ারেন্টিনে : বিদেশফেরত আরও ২ জনকে পাঠানো হয়েছে হোম কোয়ারেন্টিনে । এ নিয়ে গত কয়েকদিন মোট ৩১ জনকে পাঠানো হয় হোম কোয়ারেন্টিনে । গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দু’জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।
পাত্রী দেখতে গিয়ে নাজেহাল সিঙ্গাপুরফেরত যুবক : বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়েছিলেন সম্প্রতি সিঙ্গাপুরফেরত এক যুবক। কিন্তু পাত্রীর গ্রামে গিয়ে ব্যাপক গণরোষের মুখে পড়তে হয়। একপর্যায়ে গ্রামবাসী যুবকটিকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করেন। চারদিকে চলমান করোনা আতঙ্কের মধ্যে এমনটাই ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায়। বিদেশফেরত ওই যুবক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এ আতঙ্কের জেরেই মূলত এমন ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সোনারগাঁওয়ের মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ভৈরবদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী যুবকের নাম জগন্নাথ (৩৫)। এলাকাবাসী জানান, এক মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরেন কুমিল্লার দাউদকান্দি গ্রামের হরিদাসের ছেলে জগন্নাথ। সম্প্রতি তিনি ভৈরবদি গ্রামে তার আত্মীয় হরি কিশোরের বাড়িতে বেড়াতে যান। কিন্তু গ্রামের মানুষ সেভাবে তার উপস্থিতি খেয়াল করেননি। এরই মাঝে মঙ্গলবার সকালে আত্মীয়-স্বজন নিয়ে বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে গ্রামেরই এক মেয়ের বাড়িতে যান জগন্নাথ। এসময় গ্রামের লোকজন পাত্র সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে ফিরেছেন শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এবং যুবকটিকে করোনা রোগী সন্দেহে আটকে রাখেন। পরে সোনারগাঁও থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা গিয়ে নিজেদের হেফাজতে জগন্নাথকে উদ্ধার করেন ও করোনা হয়েছে কিনা পরীক্ষার জন্য জগন্নাথকে রাজধানীর মহাখালীতে পাঠায়।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 192 People

সম্পর্কিত পোস্ট