চট্টগ্রাম সোমবার, ০১ জুন, ২০২০

পাকিস্তানি ৮ ‘রঙ ফর্সাকারী’ ক্রিম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ

২ মার্চ, ২০২০ | ৮:৫১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাকিস্তানি ৮ ‘রঙ ফর্সাকারী’ ক্রিম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ

রঙ ফর্সাকারী আট ধরনের পাকিস্তানি ক্রিমে পাওয়া গেছে পারদসহ ক্ষতিকর অন্যান্য উপাদানের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি। আর সেই কারণে এসব ক্রিম বাংলাদেশে বিপণন নিষিদ্ধ করেছে বিএসটিআই।

বিএসটিআই’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাকিস্তানের গৌরি কসমেটিকসের গৌরি ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিমে পারদের মাত্রা ৭৫৫.৮৫ পিপিএম; এস জে এন্টারপ্রাইজের চাঁদানী ব্র্যান্ডের ক্রিমে ৬২৯.৯৬ পিপিএম; কিউ সি ইন্টারন্যাশনালের নিউ ফেস ক্রিমে ৫৯০.৩৮ পিপিএম; ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ডিউ ক্রিমে ২৮৫.৮৮ পিপিএম; গোল্ডেন পার্ল কসমেটিক্সের গোল্ডেন পার্ল ক্রিমে ৬৫৪.১৩ পিপিএম; পুনিয়া ব্রাদার্সের ফাইজা ক্রিমে ৫৯০.৪৫ পিপিএম; নূর গোল্ড কসমেটিকসের নূর ক্রিমে পারদ ১৯৩.৬৮ পিপিএম ও হাইড্রোকুইনোনের মাত্রা ১৯৮০.৬৮ পিপিএম; হোয়াইট পার্ল কসমেটিকসের হোয়াইট পার্ল প্লাস ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিমে পারদ ৯৪৮.৯৩ পিপিএম ও হাইড্রোকুইনোন ৪৩৪.৭৩ পিপিএম মাত্রায় পাওয়া গেছে। সংগ্রহ করার সময় এসব পণ্যের মোড়কে কোনো আমদানিকারকের ঠিকানাও পাওয়া যায়নি। ফলে বিএসটিআই এগুলো শুল্কায়নের মাধ্যমে বৈধ পথে নাকি অবৈধ পথে এসেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি। বিএসটিআইএর মান নিয়ন্ত্রণ (সিএম) বিভাগের সহকারী পরিচালক আবু হানিফ আজ সোমবার (২ মার্চ) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবু হানিফ বলেন, এসব পণ্য আমদানি, খোলা বাজার কিংবা অনলাইনে বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পরে তা সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে অন্যান্য পদক্ষেপ নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, খোলা বাজার ও অনলাইন শপিং প্ল্যাফর্ম ‘দারাজ’ থেকে গত এক মাস ধরে ১৩টি ব্র্যান্ডের রঙ ফর্সাকারী ক্রিম সংগ্রহ করে বিএসটিআই’র ল্যাবরেটরিতে সেগুলোর মান পরীক্ষা করা হয়। বিপজ্জনক মাত্রায় মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পারদ ও দুটি ব্র্যান্ডের ক্রিমে পারদ এবং হাইড্রোকুইনোন উভয়ই পাওয়া গেছে এসব ক্রিমের মধ্যে ছয়টিতেই। বাংলাদেশ মান (বিডিএস ১৩৮২:২০১৯) অনুযায়ী এসব ধরনের ক্রিমে পারদের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা ১ পিপিএম ও হাইড্রোকুইনোনের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা ৫ পিপিএম।

পূর্বকোণ/আরপি

The Post Viewed By: 208 People

সম্পর্কিত পোস্ট