চট্টগ্রাম শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২০

সর্বশেষ:

ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে গুমের আশ্রয় নিয়েছে সরকার : ফখরুল

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ২:০৪ পূর্বাহ্ণ

ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে গুমের আশ্রয় নিয়েছে সরকার : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ীভাবে কুক্ষিগত করার জন্য গুমের আশ্রয় নিয়েছে। যা অতীতে আমরা বাংলাদেশে কখনও দেখিনি। তারা গুম, হত্যা, গ্রেফতার করছে, আবার মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এইভাবে নির্যাতন, নিপিড়ন দমননীতির মধ্যে দিয়ে তারা বাংলাদেশে একদলীয় শাসনব্যস্থা স্থায়ী করতে চায়।-বাংলানিউজ
গতকাল রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আপনারা আজকে পত্রিকায় দেখেছেন একজন সেনাবাহিনীর অফিসার র‌্যাবে কাজ করতেন। অন্যায়ভাবে তাকে সাজা দেওয়া হয়েছিল। সেই সাজা থেকে বের হয়ে

আসার পরে তাকে গুম করে নিয়ে যাওয়া হয়। দেড় বছর পরে তিনি ফিরে এসেছেন, কথা বলছেন না। কিছুদিন আগে আমরা দেখেছি সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে সাত মাস পরে ফিরে এসেছে, কথা বলে না। তারও আগে একজন রাষ্ট্রদূত ৯ মাস অজ্ঞাত স্থানে ছিলেন, ফিরে এসে কথা বলছেন না। এখনও একজন জেনারেল গুম আছেন। মীর কাসেম আলীর ছেলেও গুম।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী শুধু একজন নেতা নন, তিনি গণতন্ত্রের মাতা। তিনি এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে ৯ বছর সংগ্রাম করেছেন। তিনি এক এগারো সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। তিনি এই দখলদারী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তাকে আজ মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে। আমাদের যে সংবিধান সেই সংবিধান অনুযায়ী জামিন তার প্রাপ্য হক, অধিকার। সেই অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এধরনের মামলায় সবাই জামিনে আছেন। নাজমুল হুদা জামিনে আছেন, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া জামিনে আছেন। মহিউদ্দিন খান আলমগীর জামিনে আছেন। সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী আব্দুল মান্নান জামিনে আছেন। তিনি বলেন, আজকে খালেদা জিয়ার মামলার জামিন শুনানি রয়েছে। আমরা আশা করব, প্রত্যাশা করব যে, বিচার বিভাগ তারা তাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করবেন। সত্যিকার অর্থে মামলার যে রায় হওয়া উচিত সেই রায় দেবেন। তাকে আটকে রাখার কোনো বিধান নেই। তাকে আপনারা বেআইনিভাবে আটকে রেখেছেন।
সরকার দেশ চালাতে পারে না উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তাদের কথায় মনে হয় দেশে উন্নয়নের লহরি বয়ে যাচ্ছে। অথচ আজকে পত্রিকা খুললেই দেখবেন, নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত মানুষ দ্রব্যমূল্যে হয়রান হয়ে গেছে। চাল-লবণ-সবজির দাম বাড়ছে, পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। এমন একটা নিত্যপণ্য নেই যার দাম বাড়ছে না। অন্যদিকে শ্রমিক ভাইদের বেতন-প্রকৃত আয় বাড়ছে না।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি সালাহউদ্দিন সরকার, বিএনপির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, শ্রমিক দল নেতা মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার, আবুল খায়ের খাজা, রফিকুল ইসলাম, মফিদুল ইসলাম মোহন প্রমুখ।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 81 People

সম্পর্কিত পোস্ট