চট্টগ্রাম বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: পলিটিকো
বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: পলিটিকো

২৪ জুলাই, ২০২০ | ৬:০৫ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: পলিটিকো

বঙ্গবন্ধুর অন্যতম খুনী এম এ রাশেদ চৌধুরীর রাজনৈতিক আশ্রয়ের মামলাটি আবার খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির রাজনৈতিক ওয়েব পত্রিকা পলিটিকো বিশেষ একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অনেকটা গোপনে গত মাসে উইলিয়াম বার বহুল আলোচিত এই মামলাটি পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেন।

পলিটিকোর দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় ১৫ বছর আগে নিষ্পত্তি হওয়া এই মামলা এখন আবার চালু করে রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে চায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় অবস্থান করছেন।অন্য আসামিদের সঙ্গে ১৯৯৮ সালে নিম্ন আদালতের রায়ে পলাতক অবস্থায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। উচ্চ আদালত ২০০৯ সালে ১২ জন কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয়জনের রায় কার্যকর হলেও রাশেদ চৌধুরীসহ বিদেশে পলাতক অন্যদের দণ্ড কার্যকর হয়নি।

রাশেদের আইনজীবীরা এতদিন বাদে এই মামলা আবার চালুর খবর পলিটিকোকে নিশ্চিত করলেও বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মার্কিন প্রশাসনের কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের কেউ পলিটিকোর কাছে মন্তব্য না করলেও তার আইনজীবী মার্ক ভ্যান ডের হাউট ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটা ট্রাম্প প্রশাসনের বাংলাদেশের পক্ষে কাজের নজির। অনেক আগে নিষ্পত্তি হওয়া একটি মামলা নিয়ে তারা কেন এমন করছে সেটিই আমাদের কাছে প্রশ্ন।

পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসের ১৭ জুন এটর্নি জেনারেল বার ‘বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিল’কে রাশেদের মামলাটি তার কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পলিটিকো এ ব্যাপারে যে নথি পেয়েছে তাতে রাশেদের নাম অস্পষ্টভাবে লেখা হয়েছে “A-M-R-C’’। এর পুরো অর্থ এমন, ‘এ এম রাশেদ চৌধুরী’।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বার প্রথমেই রাশেদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের অনুমতি বাতিল করতে চাইবেন। তাতে সফল হলে শুরু হবে ফেরতের প্রক্রিয়া।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে রাশেদ তার পরিবার নিয়ে ভ্রমণ ভিসায় আমেরিকায় যান। দুই মাসের মধ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করলে প্রায় ১০ বছর পর তিনি সেই অনুমতি পান। এরপর নানাভাবে তাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ।

 

 

 

 

 

 

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 199 People

সম্পর্কিত পোস্ট