চট্টগ্রাম বৃহষ্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০

সর্বশেষ:

১০ বছরে দেশে ক্যান্সারে মৃত্যুহার ১৩% বাড়বে

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৬:৩১ অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক

‘দেশের প্রতিটি পরিবারে ১ জন ক্যান্সারাক্রান্ত হবেন’-আইএআরসি

১০ বছরে দেশে ক্যান্সারে মৃত্যুহার ১৩% বাড়বে

আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ক্যান্সারের কারণে মৃত্যুর হার ১৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে কোনো একজন সদস্য কোনো না কোনো ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি) এর নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সারের কারণে মৃত্যুর হার ১৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে কোনো একজন সদস্য কোনো না কোনো ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি) এর নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকা মহানগর এলাকায় ক্যান্সার স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ব্রেইন ফাউন্ডেশন স্পেশালাইজড হাসপাতাল কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্পের প্রতিনিধি দল আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সঙ্গে দেখা করে এমন তথ্য তুলে ধরেন। 

এসময় রাশেদ খান মেনন বলেন, ক্যান্সার ও নিউরো চিকিৎসার মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা ব্যবস্থা দেশে প্রতিষ্ঠিত হলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য তা আশীর্বাদস্বরূপ হবে। এর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা দূর হবে। প্রতিনিধিদল দেশে ক্রমবর্ধমান ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে তাৎক্ষণিক বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদানের প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ ও সকল স্তরের মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করার ব্যাপারে সভাপতিকে অবহিত এবং আলোচনা ও মতবিনিময় করেন। জানা যায়, মূলত ক্যান্সার রোগের একাডেমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও দেশের সাধারণ মানুষের কাছে জটিল ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা খরচ সহজলভ্য করার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার (বিসিআরসি)।

সভায় আরো জানানো হয়, বাংলাদেশে নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ‘ব্রেইন ফাউন্ডেশন’ দেশের সাধারণ মানুষের কাছে স্নায়ু রোগের সময়সাপেক্ষ চিকিৎসা খরচ সহজলভ্য করার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে একটি আধুনিক বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করার জন্য গঠিত হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারী বিভাগের অধ্যাপক, স্থাপত্য অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান স্থপতি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনকেলজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপকসহ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কর্মকর্তারা।

 

 

 

 

পূর্বকোণ/এম

The Post Viewed By: 218 People

সম্পর্কিত পোস্ট