চট্টগ্রাম বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০

সর্বশেষ:

উপজেলা-ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে ৫৪ উপজেলায় ব্যাংক বন্ধ থাকবে মঙ্গলবার

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৭:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ সুদ ২০ শতাংশ

ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনো অবস্থাতেই ২০ শতাংশের বেশি সুদ আদায় করা যাবে না জানিয়ে এক নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১লা অক্টোবর থেকে এ নির্দেশনা কার্যকরের ঘোষণা করে আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সব বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ওই সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৭ সালের ৩রা অগাস্ট ক্রেডিট কার্ড বিষয়ে একটি জারিকৃত নীতিমালায় বলা হয়, ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অন্যান্য ঋণের সুদের সর্বোচ্চ সুদহারের চেয়ে ৫ শতাংশের বেশি হবে না। এই সুদহার কেবল মাত্র অপরিশোধিত বকেয়া স্থিতির উপর প্রযোজ্য হবে।

ওই নীতিমালার নির্দেশনা অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ডে নির্ধারিত সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ আগাম হিসেবে নগদ উত্তোলন করা যাবে ও ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে গ্রাহককে কোনো আনসলিসিটেড ঋণ বা অন্য কোনো ঋণ দেয়া যাবে না। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কিছু ব্যাংক এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে বিভিন্ন নামে বিভিন্ন প্রকার নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা দিচ্ছে; যা ব্যাংকের ঋণ ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে এবং এ ধরনের ঋণের উপর ফ্ল্যাট রেটে অযৌক্তিকভাবে বেশি সুদ আরোপ/আদায় করছে। এতে গ্রাহকের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করছে। এছাড়া কোনো কোনো ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের পরিশোধ না করা বিলের ওপর লেনদেনের তারিখ থেকেই সুদ আরোপ এবং পরিশোধ না করা বিলের বিপরীতে ‘প্রগ্রেসিভ রেটে’ বিলম্ব ফি আদায় করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় ক্রেডিট কার্ড লিমিটের বিপরীতে ঋণ সুবিধাসহ সুদ/মুনাফা যৌক্তিকীকরণ ও গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

২০ শতাংশের বেশি সুদ ক্রেডিট কার্ডের সুদ/মুনাফার ওপর নির্ধারণ করা যাবে না। ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের জন্য নির্ধারিত সর্বশেষ তারিখের পরের দিন থেকে বিলের ওপর সুদ/মুনাফা আরোপ করা যাবে। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই লেনদেনের তারিখ থেকে সুদ আরোপ করা যাবে না। বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ক্রেডিট কার্ডের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা ছাড়া অন্য কোনো নামে নগদে উত্তোলনযোগ্য ঋণ সুবিধা দেয়া যাবে না।

এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, বিলম্বে পরিশোধিত কোনো বিলের বিপরীতে শুধুমাত্র একবার বিলম্ব ফি (অন্য যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেনো) আদায় করা যাবে ও আগের নীতিমালার অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

 

 

 

 

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 191 People