চট্টগ্রাম মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ৬:১৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার মধ্যেও সোয়া ৩শ কোটি টাকার পোশাক রপ্তানি

করোনার মধ্যে  চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩২৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থবিরতা কাটতে শুরু করলেও তার গতি এখনো স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কম। রপ্তানিনির্ভর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর মধ্যে সচল হয়েছে বেশির ভাগ। রপ্তানিতে বড় উল্লম্ফন হলেও তা বাতিল-স্থগিত হওয়া ক্রয়াদেশের পুনর্বহালের কারণেই বলে জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এপ্রিলে ব্যাপকহারে রপ্তানি কমে গেলেও পরের মাসে বড় উল্লম্ফন হয়, জুন ও জুলাইয়েও যা অব্যাহত ছিল। আগস্টে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে পোশাক খাত।

বিজিএমইএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টের ৩০ দিনে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩২৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের। ২০১৯-২০ অর্থবছরের আগস্টের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের আগস্টে পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ২২৩ কোটি ৯২ লাখ ৯০ হাজার ডলারের। গত মার্চে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকের রপ্তানি কমে যায় প্রায় ২৭ শতাংশ। এপ্রিলে কমে প্রায় ৮৫ শতাংশ। আর মে মাসে কমে প্রায় ৬৩ শতাংশ। কমার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেও জুনে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির হার আগের তুলনায় কম ১৯ শতাংশ। জুনে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের। আর জুলাইয়ে পোশাক রপ্তানি বেড়ে হয়েছে ৩২৪ কোটি ডলারের। এক অর্থবছর বিবেচনায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পোশাক পণ্যের মোট রপ্তানি ছিল ৩ হাজার ৪১৩ কোটি ৩২ লাখ ডলারের। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৭৭০ কোটি ১৭ লাখ ডলারের। এ হিসেবে এক অর্থবছরে ৬৪৩ কোটি ১৫ লাখ ডলার বা প্রায় ১৯ শতাংশ কম হয়েছে পোশাক রপ্তানি। দেশে তৈরি পোশাক খাতের ওভেন পণ্যের আনুমানিক ৬০ শতাংশ কাপড় আমদানি হয় চীন থেকে। আর নিট পণ্যের কাঁচামাল আমদানি হয় ১৫-২০ শতাংশ। পরবর্তী সময়ে ধীরগতিতে হলেও কাঁচামাল সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু রপ্তানি গন্তব্যগুলোয় এ রোগের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ায় চাহিদার সংকট তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রয়াদেশ বাতিল-স্থগিত করতে থাকে একের পর এক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান।

পূর্বকোণ /আরআর

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 126 People

সম্পর্কিত পোস্ট