চট্টগ্রাম বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

২৯ জুন, ২০২০ | ৮:৪৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি পণ্যে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা শুল্কফাঁকি

চায়না থেকে সস, মটরশুঁটি ও চকলেট আমদানির ঘোষণা দিয়ে ওই পণ্যে সাথে উচ্চশুল্কের চুইংগাম ও এনার্জি ড্রিংকস আনিয়ে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করে এক আমদানিকারক। গতকাল সোমবার কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন এন্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কাস্টম হাউজ কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখার সহকারী কমিশনার নূর এ হাসনা সানজিদা অনসূয়া জানান, চায়না থেকে চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন বাজারের জেবুন্নেসা রোডের কর্ণফুলী টাওয়ার জিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল নামের আমদানিকারক সস, মটরশুঁটি ও চকলেট এর ঘোষণা দিয়ে একটি চালানে পণ্য আনে চট্টগ্রাম বন্দরে। ওইসব পণ্য বন্দর থেকে খালাসের জন্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে কাজ করছিলো নগরীর শেখ মুজিব রোডের আহমেদ ম্যানশনের সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ইস্টার্ন এন্টারপ্রাইজ। চালানটি খালাসের জন্য সিএন্ডএফ এজেন্ট গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন।
গোপন তথ্য থাকায় কাস্টমসের এআইআর শাখার কর্মকর্তারা ওই বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ঘোষিত পণ্যের চালানটি লক করে দেয়। পরবর্তিতে গতকাল সোমবার চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হলে কারচুপির বিষয়টি ধরা পরে।
চালানের বিল অব এন্ট্রি থেকে জানা যায় ওই চালানে ৪ হাজার ৯৫৬ কেজি সস, ১৩ হাজার ৭৯০ কেজি মটরশুঁটি ও ১ হাজার ২৯৬ কেজি চকলেটসহ মোট ২০ হাজার ৪২ কেজি পণ্য আসার কথা ছিল। কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া যায় ৫ হাজার ৭৯ কেজি সস, ২৪০ কেজি মটরশুঁটি ও ৮ হাজার ৬০৪ কেজি চকলেট।
এছাড়া ঘোষণার বাইরে পাওয়া যায় অর্গানিক মিক্সড নাটস ১ হাজার ৮৬০ কেজি, চুইংগাম ১৬ হাজার ২৫২ কেজি, নুডুলস ৩৯২ কেজি এবং উচ্চশুল্কের এনার্জি ড্রিংকস ১০ হাজার ৬৪৮ লিটার। সব মিলিয়ে মোট ৪৩হাজার ৭৫ কেজি পণ্য পাওয়া যায়।
এসব পণ্যের শুল্ক হিসেব করে দেখা যায় ওই আমদানিকারক উচ্চ শুল্কের পণ্যসহ অতিরিক্ত ২০ হাজার ৩৩ কেজি পণ্য আমদানি করে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করেছিলেন। এ ঘটনায় কাস্টম আইনে আমদানিকার ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

 

 

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 272 People