চট্টগ্রাম শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

গ্রামীণফোনের ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

২১ এপ্রিল, ২০২০ | ৯:৫৪ অপরাহ্ণ

বিজ্ঞপ্তি

গ্রামীণফোনের ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গ্রামীণফোন। কোভিড-১৯ সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ও উপস্থিত শোয়ারহোল্ডার, কর্মী ও অন্যান্য সদস্যদের স্বাস্থ্যসুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা ভার্চুয়ালি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রামীণফোনের কোম্পানি সেক্রেটারি এস.এম. ইমদাদুল হকের পরিচালনায় ভার্চুয়াল এজিএমে অংশ নেন গ্রামীণফোনের বোর্ড চেয়ারম্যান পিটার বি ফারবার্গ, প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমানসহ বোর্ডের সদস্যগণ এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

গ্রামীণফোন বোর্ড চেয়ারম্যান পিটার বি ফারবার্গ বলেন, ‘বিশ্ব আজ কোভিড ১৯ মহারীর মোকাবিলা করছে, এ সময়  যারা প্রিয়জন হারিয়েছেন, তাদের  জন্য আমার সমবেদনা। এই পরিস্থিতিতে সবাইকে আমরা সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই এবং মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি  সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করি। আমরা বিশ্বাস করি, এই পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য সবার সম্মিলিত প্রয়াস একান্ত জরুরি এবং যূথবদ্ধভাবেই আমরা অর্থনীতির ওপর এর বিরূপ প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবো এবং সমাজের ক্ষমতায়ন ঘটাতে পারবো।’

নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আজ গ্রামীণফোন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ পরিশোধিত মূলধনের ৪০ শতাংশ হারে (প্রতি ১০ টাকার শেয়ারে ৪ টাকা) ২০১৯-এর চূড়ান্ত আর্থিক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্য দিয়ে পরিশোধিত মূলধনের মোট চূড়ান্ত লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩০ শতাংশ (৯০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ অন্তর্ভূক্ত), কর বাদ দিলে ২০১৯ সালে লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০.৮৬ শতাংশ।

প্রসঙ্গতঃ বাংলাদেশে কোভিড ১৯ এর বিস্তার মোকাবিলায়,  গ্রামীণফোন কর্মী, অংশীদার, গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের সুরক্ষার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং মহামারি শুরুর সময় থেকেই গ্রামীণফোন ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে এটুআই, ডিজিএইচএস, ডব্লিউএইচও সাথে মিলে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এ নিরলস প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা হিসেবেই, গ্রামীণফোন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের সহায়তা করার লক্ষ্যে ৫০ হাজার মেডিকেল গ্রেড ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামাদি (পিপিই) এবং ১০ হাজার টেস্টিং কিট দেয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে পিপিই ও টেস্টিং কিটগুলো দেয়া হবে।

এছাড়াও চরম প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এসব প্রতিকূল সত্ত্বেও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দ্রুততা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এর কৌশলের সফল বাস্তবায়ন করতে পেরেছে। গ্রাহককেন্দ্রিক আধুনিকায়নের উদ্যোগ এবং কার্যক্রমগত দক্ষতার কারণেই গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে যা শেয়ারহোল্ডারদের রিটার্নে ইতিবাচক প্রভাব রেখেছে।-বিজ্ঞপ্তি

 

 

 

পূর্বকোণ/আরপি

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
The Post Viewed By: 764 People

সম্পর্কিত পোস্ট