চট্টগ্রাম বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

মুক্তিযুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধ

২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | ১:০৫ পূর্বাহ্ণ

নাওজিশ মাহমুদ

মুক্তিযুদ্ধে প্রাথমিক প্রতিরোধ

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

সারাদেশে এই ধরনের প্রতিরোধ ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে ক্যান্টনমেন্ট ছিল সবখানে বাঙালি সৈনিকেরা এই প্রতিরোধ যুদ্ধে বিচ্ছন্নভাবে বা সম্মিলিতভাবে অংশ নেয়। যেখানে প্রতিরোধ করতে পারেনি, সেখানে পালিয়ে গিয়ে যুদ্ধে অংশ নেয়। এই প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নেয় পুলিশ, আনসারের সদস্যরা, স্থানীয় যুবক এবং ছাত্ররাসহ সর্বস্তরের জনগণ।

মেজর আবু ওসমান চৌধুরী কুষ্টিয়ার ইপিআরে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে জনগণের সহায়তায় ইপিআরের সদস্যদের নিয়ে চুয়াডাঙ্গা থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছ থেকে কুষ্টিয়া শহরকে ২৬ মার্চ শত্রুমুক্ত করেন। প্রায় দুই শতাধিক পাকিস্তানি সেনা নিহত হন। যার অধিকাংশ পালাতে গিয়ে জনতার হাতে প্রাণ হারায়। এই কুষ্টিয়া জেলা শত্রুমুক্ত থাকার কারণেই মেহেরপুরে আম্রকাননে মুজিব নগর সরকার শপথ নেয়ার সুযোগ পান। ১৬ এপ্রিল ১৯৭১ কুষ্টিয়া শহর হাতছাড়া হলেও ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে বৈদ্যনাথ তলা মুজিব নগর সরকার শপথের পরে পতন হয়।
জয়দেবপুরে ২য় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকন্ডে-ইন-কমান্ড ছিলেন কে এম সফিউল্লাহ। তাঁর নেতৃত্বে ৩টি ব্যাটেলিয়ন নিয়ে তিনি বিদ্রোহ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

মেজর জলিল পাকিস্তানের ১২ নং ট্যাঙ্ক ক্যাভালরির মেজর ছিলেন। ছুটিতে এসে তিনি পাকিস্তান আর্মিতে যোগদান না করে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নেন। বরিশালে গঠিত সংগ্রাম পরিষদের অনুরোধে তিনি প্রতিরোধ যুদ্ধের কমান্ডারের দায়িত্ব নেন।
রংপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় গ্রামবাসীর হাতে পাঞ্জাবী লেফট্যানেন্ট নিহত হয়। তাঁর প্রতিক্রিয়ায় ক্যান্টনমেন্ট পাকিস্তানী সামরিক নেতারা ছিল সতর্ক। ২৮ মাচর্ ১৯৭১ হাজার হাজার জনতা রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করে। এই ঘেরাও কর্মসূচীতে বাঙালি ছাড়াও সাঁওতাল ও ওঁরাও জাতিসত্তার অংশগ্রহণ ছিল ব্যাপক এবং স্বতঃস্ফূর্ত। দেশীয় অস্ত্র এবং তীর ধনুক নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট আক্রমণ করে। এই আক্রমণ ঠেকাতে ক্যান্টনমেন্ট থেকে নির্বিচারে গুলি করে ৫ শতাধিক (মতান্তরে তিন হাজার) বাঙালি, সাঁওতাল ও ওঁরাওদের হত্যা করে। প্রতিরোধ যুদ্ধে রংপুরের আদিবাসী ও বাঙালিদের এই আত্মবলিদান ছিল সবচেয়ে হৃদয়বিদারক এবং সর্ববৃহৎ। এই হত্যাকান্ডে আমজাদ নামে এক বাঙালি ব্রিগেড মেজর পাকিস্তানিদের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন ।
কুমিল্লা ছিল ৪র্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদর দপ্তর। এর কমান্ডিং অফিসার ছিলেন একজন অবাঙালি কর্নেল মালিক খিজির হায়াত খান। মেজর সাফায়াত জামিলকে ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কোম্পানী কমান্ডার হিসেবে কুমিল্লা থেকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে তিনি বিদ্রোহ করে প্রতিরোধ যুদ্ধে যোগ দেন। খালেদ মোশারফ ছিলেন ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক। তাঁকে কুমিল্লা থেকে শমসের নগর সরিয়ে দেয়া হয়েছিল। কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে যাতে সকল বেঙ্গল রেজিমেন্ট একসাথে বিদ্রোহ করতে না পারে, এটা ছিল পাকিস্তানী সেনাদের আগাম সতর্কমূলক ব্যবস্থা। ক্যান্টনমেন্টে ছিল শুধু অসুস্থ, অবসরের কাছাকাছি বয়স্ক এবং পাহারার জন্য সামান্য অংশ। ২৫ মার্চ রাত আটটায় ৪র্থ বেঙ্গলের কমান্ডিং অফিসার কুমিল্লা থেকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় চলে আসেন। ২৭ মার্চ সকালে মেজর সাফায়াত জামিল কামান্ডিং অফিসারকে কৌশলে আটক করে বিদ্রোহ করেন। কমান্ডিং অফিসারসহ আটক অবাঙালি অফিসারদের প্রথমে থানার হেফাজতে রাখলেও পরে ভারতের কাছে হস্তান্তর করেন।
শাফায়াত জামিলের সাথে যোগাযোগ করে খালেদ মোশারফ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলে আসলে ৪র্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টর কমান্ডিং অফিসারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার প্রতিরোধ যুদ্ধ নতুন মাত্রা পায়। ২৮ মার্চ ১৯৭১ ক্যাপ্টেন আইনুদ্দিন কুমিল্লা থেকে আগত ব্রাহ্মণবাড়ীয়া এন্ডরসন ব্রীজে একটি পাকিস্তানী কনভয়ের আঘাত করলে কয়েকজন পাকসেনা নিহত হয়। বাকীরা পালিয়ে যায়।

কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে দখল নিয়ে পাকিস্তানী সেনাদের সাথে বাঙালি সেনাদের সাথে লড়াই হয়। ২৯ মার্চ ১৯৭১ তারিখের রাতে বাঙালি সৈন্যরা ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও ক্যান্টনমেন্টে অবস্থানরত সকল পরিবার পরিজনকে সরিয়ে আনতে সফল হয়। বাঙালি সৈন্যরা বিবির বাজার কাপ্টেন মাহবুবের সাথে যোগ দেয়। ক্যাপটেন মাহবুব খালেদ মোশারফের নির্দেশে ইপিআরের বর্ডার চেকপোস্টসমূহে আক্রমণ করে প্রায় দু’শতাধিক বাঙালি সৈনিকদের উদ্ধার করেন এবং পাঞ্জাবীদের আটক করেন। ২য় বেঙ্গল রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন নাসিম (পরবর্তীকালে সেনাপ্রধান) আশুগঞ্জের প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নেন। ৩১শে মার্চ কর্নেল সফিউল্লাহর নেতৃত্বে ২য় বেক্সগল রেজিমেন্ট এবং খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে ৪র্থ বেঙ্গল রেজিমেন্ট একত্রিত হয়। সদর দপ্তর হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে স্থানান্তরিত হয়। বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২য় ও ৪র্থ ব্যাটেলিয়েনের সৈন্য প্রায় অক্ষত থাকে। মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গঠনে বেঙ্গল রেজিমেন্টের এই দুই ব্যাটেলিয়েন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই প্রতিরোধ যুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ছিল চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে। বেঙ্গল রেজিমেন্টর সদর দপ্তর এবং কমান্ডার হিসেবে ব্রিগেডিয়ার লেবেলের একজন বাঙালি জেনারেল থাকা সত্তেও দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও পরিস্থিতি পর্যালোচনায় অক্ষম হওয়ায় নিজে গ্রেফতার হয়ে যান। প্রতিরোধ যুদ্ধের প্রাথমিক সাফল্য থেকে বঞ্চিত হয় জাতি। যদি চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট বাঙালি সেনাদের দখলে যেত, তাহলে চট্টগ্রাম থেকে সিলেট পর্যন্ত পূর্বাঞ্চল প্রাথমিক প্রতিরোধ যুদ্ধে মুক্তাঞ্চল হিসেবে সাফল্য পেত। বাংলাদেশের মাটিতে বসে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা সম্ভব হতো। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ভিন্ন মাত্রা পেত।

এপ্রিল মাসের ৪ তারিখে মুক্তিবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তেলিয়াপাড়া চা বাগানে একত্রিত হন। কর্ণেল (অবসর প্রাপ্ত) এম এ জি ওসমানী, লেফটেনেন্ট কর্নেল (অবসর) আবদুর রব, লেফট্যানেন্ট কর্নেল সালাউদ্দিন রেজা, মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর কাজী নুরুদ্দিন, মেজর খালেদ মোশারফ, মেজর নুরুল ইসলাম, মেজর সাফায়াত জামিল, মেজর মইনুল হোসেন চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ওসমানী প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন। বাংলাদেশকে ৪টি অঞ্চলে ভাগ করে চারজন সেনা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। মেজর সফিউল্লাহ সিলেট- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া অঞ্চলের অধিনায়ক হিসেবে, কুমিল্লা-নোয়াখালির অধিনায়ক হিসেবে মেজর খালেদ মোশারফ, চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিনায়ক হিসেবে মেজর জিয়াউর রহমান এবং কুষ্টিয়া-যশোরের অধিনায়ক হিসেবে মেজর আবু ওসমান চৌধুরী দায়িত্ব পান। এই সভাতেই প্রথম মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বাহিনী সম্পর্কিত সাংগঠনিক কাঠামো, কমান্ড এবং প্রতিরোধের প্রাথমিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়। মুজিব নগর সরকার দায়িত্ব গ্রহণ পূর্ব পর্যন্ত এই কাঠামো এবং কমান্ড বহাল থাকে।

এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে তেলিয়াপাড়ায় ২য় ও ৪র্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টের কর্মকর্তারা ছাড়াও মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর সফিউল্লাহ মেজর খালেদ মোশারফ, বিএসএফএর প্রধান রুস্তমজী, ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার পান্ডেসহ ভারতীয় সেনাবাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার এসডিও কাজী রকিব উদ্দিন উপস্থিত হয়ে অস্ত্র গোলাবারুদ ও খাদ্যসামগ্রী ভারতের সাহায্যের ব্যাপারে একমত হলেও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব-মুুজিবনগর সরকার প্রতিষ্ঠার পূর্র্বে এই সাহায্য তেমন একটা পাওয়া যায়নি। ১৩ এপ্রিল ১৯৭১ আশুগঞ্জ-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দখলে চলে যায়। তুমুল যুদ্ধে ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে আখাউড়া, গঙ্গা সাগর ও সিঙ্গারবিল থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তবে এই পিছু হটা ছিল কৌশলগত। কারণ এই যুদ্ধ ক্ষেত্রের পশ্চাৎভূমি ছিল আগরতলা। আগরতলার বিমানবন্দর হচ্ছে সিঙ্গারবিল সীমান্ত ঘেঁষা। প্রতিরোধ যুদ্ধ করতে গিয়ে আগলতরা বিমানবন্দর যাতে পাকিস্তানিদের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য। এতে কলকাতার সাথে আগরতলার আকাশপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে যোগাযোগের মাধ্যম আরো ধীরগতি হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ বাধাগ্রস্ত হতো। ১৯৭১ সালের মে মাসের ৩ তারিখে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন সর্বশেষ ঘাটি রামগড়ের পতন ঘটে। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক প্রতিরোধ যুদ্ধের অবসান হয়।

প্রাথমিক যুদ্ধে বাঙালি বিদ্রোহী সৈনিকদের পাশাপাশি ব্যাপক জনগণের, বিশেষ করে, যুবসমাজ ও ছাত্ররা প্রশিক্ষণ ব্যাতিরেকে যে প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাও ছিল সারাবিশে^র মধ্যে অনন্য। শত চেষ্টা করেও ২৫ মার্চ সারা রাত ধরে গতানুগতিক পদ্ধতিতে ঢাকা বিশ^বিদ্যলয়ের ইকবাল ও জগন্নাথ হলের প্রতিরোধ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে ২৬ মার্চ সকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে রকেট লাঞ্চার ও মোটর সেল ব্যবহার করতে হয়। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ সারা দেশের শত শত ছাত্র-যুবকদের আত্মবলির মাধ্যমে আমাদের প্রতিরোধ যুদ্ধকে গৌরবান্বিত করেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণ যেভাবে খ্যাদ্য দিয়ে, আশ্রয় দিয়ে অন্যান্য লজিস্টিক সমর্থন দিয়ে এগিয়ে আসে তা ভাষা বর্ণনা করা যাবে না। জনগণের আবেগ এবং আত্মত্যাগের মহিমা বর্তমানে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্বিচারে গণহত্যা, প্রতিরোধ মোকাবিলায় রাস্তার পাশের দোকান, বাড়ীঘর এবং অন্য যে কোন স্থাপনার জ¦ালিয়ে পুড়িয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। ফলে হাজার লোক সহায়সম্বল হারিয়ে নিঃশ^ হয়ে পড়ে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের বাড়ীঘর পোড়াতে গিয়ে অনেক মানুষ, গবাদিপশুকে পুড়ে অংগারে পরিণত করে। বাঙালি সৈনিক, জনতা ও যুবকদের এই প্রাথমিক প্রতিরোধ সাময়িকভাবে অবসান হওয়ার পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর নৃশংষতা আরো বেড়ে যায়। অত্যাচার, নির্যাতন ও গণহত্যার আরো ব্যাপকতা লাভ করে। সেই সাথে গণহারে নারী ধর্ষণ এবং লুটপাটের শিকার হয় বাঙালি জাতি। যুবক ও ছাত্রদের পাওয়া মাত্র হত্যা করে। তাঁদের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় বাঙালি জাতিয়তাবাদের সমর্থক অর্থাৎ আওয়ামী লীগের সমর্থক ও ভোট ব্যংাকের ভিত্তি হিন্দু সংখ্যালঘু এবং যুব সমাজ। এই সংখ্যালঘু সমাজকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ভারতে তাড়িয়ে দেয়া, হত্যা করা, ধর্ষণ করা এবং ভবিষ্যতের প্রতিরোধের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করা। এর ফলে এক কোটির উপর শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নেয়। এই শরণার্থীদের দুঃখ দুর্দশা এবং কষ্ট বিশ^ব্যাপি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ভারতের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য-সহযোগিতার দায়বদ্ধতা বেড়ে যায়। সেই সাথে বাঙালি জাতি এক কঠিন দৃঢ়সংকল্প নিয়ে এই নির্যাতন এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। প্রাথমিক প্রতিরোধের পর পরিকল্পিত যুদ্ধের মাধ্যমে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়। হাজার হাজার যুবক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আত্মত্যাগের মাধ্যমে চূড়ান্ত লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়। সাফল্য লাভ করে। আকাক্সিক্ষত স্বাধীনতা অর্জন করে। (সমাপ্ত)

নাওজিশ মাহমুদ রাজনীতি বিশ্লেষক ও কলামিস্ট।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 174 People

সম্পর্কিত পোস্ট