চট্টগ্রাম শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০

সর্বশেষ:

৭ মে, ২০১৯ | ৮:৩২ অপরাহ্ণ

বাঁশখালী সংবাদদাতা

প্রবেশ ফি ও যানবাহন থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়

বাঁশখালী ইকোপার্কের ইজারাদারকে ইউএনও’র হুঁশিয়ারি

বাঁশখালী ইকোপার্কের মূল গেইটে প্রবেশ ফি ও যানবাহন থেকে সরকারি তালিকার বাইরে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আকতার গত ৬ মে এ অভিযোগের ভিত্তিতে আকস্মিকভাবে অভিযানে যান। দূর-দুরান্ত থেকে আসা বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রতিবছর জুন মাসে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। গত বছর জুলাই মাস হতে মেসার্স রুবেল এন্টারপ্রাইজ ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩ শত টাকায় নি¤œ দরদাতা হিসেবে গেইট প্রবেশ ফি টোল আদায়ের জন্য অনুমতি পায়। দূর-দুরান্ত থেকে আসা যানবাহন থেকে টোল আদায়ে কোন ঠিকাদার টেন্ডার প্রদান না করায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে টোল আদায় করা হচ্ছে।
সরকারিভাবে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য যথাক্রমে ৭ টাকা ও ৫ টাকা, কার, মাইক্রো ১৫ টাকা ও বাস ২৫ টাকা টোল আদায়ের নিয়ম রয়েছে। মোটর সাইকেল, সিএনজিচালিত ট্যাক্সি এসব যানবাহনের ওপর টোল আদায় নিষেধ রয়েছে। কিন্তু সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে গাড়ি পার্কিংয়ে অতিরিক্ত টাকা উত্তোলন করছেন বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কর্মচারী প্রণয় কুমার দত্ত ও আসাদুল হক।

ইউএনও মোমেনা আকতার বলেন, বাঁশখালী ইকোপার্কে ইজারাদার ও দায়িত্বরত কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে অনিয়ম করবেন না বলে মুচলেকা দিয়ে অঙ্গীকার করেছেন। এ কারণে প্রথমবারের মতো তাদেরকে ছাড় দেয়া হয়। তাদেরকে প্রবেশ ফি ও অন্যান্য ফি’র তালিকা টাঙানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাঁশখালী ইকোপার্কের দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ বলেন, আমাদের উপস্থিতিতে গেইটে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হতো না। বাহিরে ঠিকাদারের লোকজন পর্যটকদেরকে ভোগান্তি করছে। ইউএনও’র নির্দেশে গেইটে প্রবেশ ফি’র তালিকা টাঙানো হয়েছে। প্রত্যেক পর্যটককে তালিকা অনুযায়ী টাকা প্রদান করার আহ্বান করা যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন বিভাগের বন্যপ্রাণি সংরক্ষক (ডিএফও) আবু নাসের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ বলেন, বাঁশখালী ইকোপার্কের গেইটে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার বিষয়টি আমাকে কেউ বলেনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

শেয়ার করুন
The Post Viewed By: 261 People

সম্পর্কিত পোস্ট